ঢাকা ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা, থানায় অভিযোগ উপাসনালয়ে ভাতাঃ সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও আমাদের প্রত্যাশা বরিশালে আবদুল্লাহ হাসপাতালের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত বরিশালে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত জিয়াউদ্দিন সিকদারের নির্দেশে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে ‘জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’ বরিশাল জিলা স্কুলে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আন্তঃশ্রেণি দাবা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ বরিশাল মহানগর বিএনপি- জিয়াউদ্দিন সিকদার নুরুল আমিনের নেতৃত্বে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির বিশাল প্রতিবাদ মিছিল

বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সংশয় কাটলো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩ ৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে যে সংশয় ছিলো তা কেটে গেছে। চলমান মে মাসের বেতন ঠিকঠাক ভাবেই পাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। স্থায়ী ও অস্থায়ী ২ সহ¯্রাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর মে মাসের বেতন ভাতা আংশিক নয় শতভাগ পাচ্ছেন বলে বিসিসি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, করপোরেশনের মে মাসের বেতন ভাতা প্রদান নিয়ে এখন কোন সংশয় নেই। যথা সময়ে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীকে বেতন ভাতা প্রদান করা হবে। জানা গেছে বরিশাল সিটি করপোরেশনে স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে ২ হাজার ৯৩ জন কর্মকর্তা- কর্মচারী কর্মরত আছেন। এদের মধ্যে ৪১৯ জন স্থায়ী এবং ১ হাজার ৬৭৪ জন অস্থায়ী। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাবদ প্রতি মাসে করপোরেশনের ব্যয় প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা।

বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় এবং গত প্রায় ২ মাস ধরে ঢাকায় অবস্থান করায় করপোরেশনে অর্থ সংকট তৈরী হয়। করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিদের মধ্যে সংশয় তৈরী হয় চলমান মে মাসের বেতন ভাতা না পাওয়া নিয়ে।

কিন্তু মাস শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগেই সেই সংশয় কেটে গেছে। করপোরেশনের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, মেয়র স্যার বরিশালে না থাকায় আমরা চলমান মাসের বেতন ভাতা পাওয়া নিয়ে সংশয়ে আছি। কখনো শুনছি ফান্ডে টাকা নেই। আবার কারো মারফত শুনছি টাকার সংকট থাকায় বেতনের অর্ধেক প্রদান করা হবে। তাই বেতন ভাতা নিয়ে আমরা খুব শংকিত। অফিসের অনেকেরই মন খারাপ, কাজেও মন বসছে না। করপোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে মে মাসের শুরুতেও ফান্ডে বেতন ভাতা দেওয়ার মত পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় অর্থ ছিলো না।

মেয়রের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ঠিকাদারকে মোটা অংকের বিল পরিশোধ করায় হঠাৎ করপোরেশনে আর্থিক সংকট তৈরী হয়। যে কারনে বেতন ভাতা পরিশোধ নিয়েও শংকা তৈরী হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :

বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সংশয় কাটলো

আপডেট সময় : ০১:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে যে সংশয় ছিলো তা কেটে গেছে। চলমান মে মাসের বেতন ঠিকঠাক ভাবেই পাচ্ছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। স্থায়ী ও অস্থায়ী ২ সহ¯্রাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর মে মাসের বেতন ভাতা আংশিক নয় শতভাগ পাচ্ছেন বলে বিসিসি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, করপোরেশনের মে মাসের বেতন ভাতা প্রদান নিয়ে এখন কোন সংশয় নেই। যথা সময়ে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীকে বেতন ভাতা প্রদান করা হবে। জানা গেছে বরিশাল সিটি করপোরেশনে স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে ২ হাজার ৯৩ জন কর্মকর্তা- কর্মচারী কর্মরত আছেন। এদের মধ্যে ৪১৯ জন স্থায়ী এবং ১ হাজার ৬৭৪ জন অস্থায়ী। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা বাবদ প্রতি মাসে করপোরেশনের ব্যয় প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা।

বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় এবং গত প্রায় ২ মাস ধরে ঢাকায় অবস্থান করায় করপোরেশনে অর্থ সংকট তৈরী হয়। করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিদের মধ্যে সংশয় তৈরী হয় চলমান মে মাসের বেতন ভাতা না পাওয়া নিয়ে।

কিন্তু মাস শেষ হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগেই সেই সংশয় কেটে গেছে। করপোরেশনের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, মেয়র স্যার বরিশালে না থাকায় আমরা চলমান মাসের বেতন ভাতা পাওয়া নিয়ে সংশয়ে আছি। কখনো শুনছি ফান্ডে টাকা নেই। আবার কারো মারফত শুনছি টাকার সংকট থাকায় বেতনের অর্ধেক প্রদান করা হবে। তাই বেতন ভাতা নিয়ে আমরা খুব শংকিত। অফিসের অনেকেরই মন খারাপ, কাজেও মন বসছে না। করপোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে মে মাসের শুরুতেও ফান্ডে বেতন ভাতা দেওয়ার মত পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় অর্থ ছিলো না।

মেয়রের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ঠিকাদারকে মোটা অংকের বিল পরিশোধ করায় হঠাৎ করপোরেশনে আর্থিক সংকট তৈরী হয়। যে কারনে বেতন ভাতা পরিশোধ নিয়েও শংকা তৈরী হয়।