বরিশালে মানিক মিয়া মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
- আপডেট সময় : ০৩:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বরিশালে মানিক মিয়া মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
বরিশালে মানিক মিয়া মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশালে বেগম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় কলেজ প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, বরিশাল অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ফেরদৌস জাহান, দাতা সদস্য কে. এম. শহীদুল্লাহ, গভর্নিং বডির সদস্য লুৎফর রহমান খান এবং এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেনসহ আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মোকলেছুর রহমান। এসময় তিনি প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন কলেজের সুন্দর ও মনোরম পরিবেশ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বরং নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে নিজেদের সাফল্যের মাধ্যমে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দেশের সুনাম বয়ে আনার আহ্বান জানান।
নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং সহশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।



















