ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন শিকদার, সুস্থতা কামনায় দোয়ার আবেদন বরিশালে বিরোধীয় জমি দখলের অভিযোগ, সাংবাদিকদের দেখেই তেড়ে আসলেন অভিযুক্তের স্ত্রী! বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান ছালেহের পিতার মৃত্যুতে এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর গভীর শোক প্রকাশ প্রযুক্তি শিক্ষায় নারীদের স্বনির্ভরতার স্বপ্ন, বরিশাল মহিলা পলিটেকনিকে যাত্রা শুরু! বরিশালে জাতীয় ছাত্রশক্তির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ হতে হবে -বিসিসি প্রশাসক বরিশালে মানিক মিয়া মহিলা কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসে বরিশালে কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও অনলাইন নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রম রুপাতলীতে বদরপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘মিজান সুইট মিটে’র উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রে এআই ও সাইবার নিরাপত্তায় বরিশালের কৃতি সন্তান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রে এআই ও সাইবার নিরাপত্তায় বরিশালের কৃতি সন্তান

স্টাফ রিপোর্টার
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করছেন বাংলাদেশি প্রযুক্তিবিদ ও গবেষক মো. নাঈমুল আহসান। প্রায় নয় বছরের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপক ও সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মো. নাঈমুল আহসান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. কামরুল আহসান এবং সাউথ অ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের পরিচালক ফরিদা আহসানের সন্তান। ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টক্লিফ ইউনিভার্সিটি থেকে সাইবার নিরাপত্তায় তথ্যপ্রযুক্তিতে মাস্টার অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানে ৪.০০-এর মধ্যে ৩.৯২ জিপিএ পেয়ে ‘সামা কাম লডে’ সম্মান অর্জনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠাতা বৃত্তিও লাভ করেন। বর্তমানে তাঁর গবেষণার অন্যতম বিষয় ওপেন ব্যাংকিংয়ে তৃতীয় পক্ষের এপিআই ব্যবহারের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং এর সঙ্গে পরিচালনাগত ক্ষতির সম্পর্ক। এ ছাড়া ডিপ লার্নিং, সরবরাহ চেইন পূর্বাভাস, আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং বহুমাত্রিক তথ্য বিশ্লেষণ নিয়েও তাঁর গবেষণা রয়েছে। ডিপ নিউরন রিসার্চ অ্যান্ড কনসালট্যান্সির অর্থায়নে পরিচালিত একটি যৌথ গবেষণা প্রকল্পেও যুক্ত রয়েছেন নাঈমুল। প্রকল্পটির লক্ষ্য প্রকৌশল প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ব্যাখ্যাযোগ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাঠামো তৈরি করা। ছয়জন মূল গবেষকের একজন হিসেবে তিনি প্রকল্পটিতে কাজ করছেন। পেশাজীবনে বাংলাদেশে ওমেগা এক্সিম লিমিটেড, বিবি আইটি ও এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেডে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন নাঈমুল আহসান। টেলিযোগাযোগ, ব্যাংকিং ও এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তি খাতে তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো, সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি সমাধান নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তাঁর পেশাগত সনদের মধ্যে রয়েছে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল (পিএমপি), কম্পটিয়া সাইবারসিকিউরিটি অ্যানালিস্ট (সাইএসএ+) এবং সিসকো সার্টিফায়েড নেটওয়ার্ক অ্যাসোসিয়েট (সিসিএনএ)। তিনি পিএমআই লস অ্যাঞ্জেলেস চ্যাপ্টার, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যতে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের প্রসার, ডিপফেকসহ উদীয়মান সাইবার হুমকি মোকাবিলা এবং ঝুঁকিভিত্তিক প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্য রয়েছে নাঈমুল আহসানের। এআই ও সাইবার নিরাপত্তার সমন্বিত প্রয়োগের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার বিষয়ে কাজ করছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রে এআই ও সাইবার নিরাপত্তায় বরিশালের কৃতি সন্তান

আপডেট সময় : ১০:১৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে এআই ও সাইবার নিরাপত্তায় বরিশালের কৃতি সন্তান

স্টাফ রিপোর্টার
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং ও সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করছেন বাংলাদেশি প্রযুক্তিবিদ ও গবেষক মো. নাঈমুল আহসান। প্রায় নয় বছরের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপক ও সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মো. নাঈমুল আহসান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) অবসরপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. কামরুল আহসান এবং সাউথ অ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের পরিচালক ফরিদা আহসানের সন্তান। ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টক্লিফ ইউনিভার্সিটি থেকে সাইবার নিরাপত্তায় তথ্যপ্রযুক্তিতে মাস্টার অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানে ৪.০০-এর মধ্যে ৩.৯২ জিপিএ পেয়ে ‘সামা কাম লডে’ সম্মান অর্জনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠাতা বৃত্তিও লাভ করেন। বর্তমানে তাঁর গবেষণার অন্যতম বিষয় ওপেন ব্যাংকিংয়ে তৃতীয় পক্ষের এপিআই ব্যবহারের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং এর সঙ্গে পরিচালনাগত ক্ষতির সম্পর্ক। এ ছাড়া ডিপ লার্নিং, সরবরাহ চেইন পূর্বাভাস, আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধ এবং বহুমাত্রিক তথ্য বিশ্লেষণ নিয়েও তাঁর গবেষণা রয়েছে। ডিপ নিউরন রিসার্চ অ্যান্ড কনসালট্যান্সির অর্থায়নে পরিচালিত একটি যৌথ গবেষণা প্রকল্পেও যুক্ত রয়েছেন নাঈমুল। প্রকল্পটির লক্ষ্য প্রকৌশল প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ব্যাখ্যাযোগ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাঠামো তৈরি করা। ছয়জন মূল গবেষকের একজন হিসেবে তিনি প্রকল্পটিতে কাজ করছেন। পেশাজীবনে বাংলাদেশে ওমেগা এক্সিম লিমিটেড, বিবি আইটি ও এক্সেল টেকনোলজিস লিমিটেডে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন নাঈমুল আহসান। টেলিযোগাযোগ, ব্যাংকিং ও এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তি খাতে তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো, সফটওয়্যার ও প্রযুক্তি সমাধান নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তাঁর পেশাগত সনদের মধ্যে রয়েছে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল (পিএমপি), কম্পটিয়া সাইবারসিকিউরিটি অ্যানালিস্ট (সাইএসএ+) এবং সিসকো সার্টিফায়েড নেটওয়ার্ক অ্যাসোসিয়েট (সিসিএনএ)। তিনি পিএমআই লস অ্যাঞ্জেলেস চ্যাপ্টার, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যতে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের প্রসার, ডিপফেকসহ উদীয়মান সাইবার হুমকি মোকাবিলা এবং ঝুঁকিভিত্তিক প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্য রয়েছে নাঈমুল আহসানের। এআই ও সাইবার নিরাপত্তার সমন্বিত প্রয়োগের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর করার বিষয়ে কাজ করছেন তিনি।