ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. মাসুম আহমেদকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের ফুলেল শুভেচ্ছা সেবার পাশাপাশি নিরাপত্তায়ও সজাগ বরিশাল ল্যাবএইড, চুরির সময় আটক নারীকে পুলিশে সোপর্দ ফের অসাধু মহলের অপ-তৎপরতার শিকার বরিশাল বিআরটিসি ডিপো ম্যানেজার! এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি পেল এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী বরিশাল টিটিসিতে নিয়মিত ব্যাচ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন কড়াপুরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারকে বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামানের ফুলেল শুভেচ্ছা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বরিশালের এ.কে ইনস্টিটিউশনে শিক্ষক দিবস পালিত বরিশালে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুলের প্যারেটিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উন্নত চিকিৎসাসেবার প্রত্যয়ে বরিশালে ল্যাবএইড লিমিটেড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্যোগে ‘ল্যাবএইড সেবা দিবস’ পালিত

মাদ্রাসা ছাত্রের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চুরি মামলা, সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫ ৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার

মাদ্রাসা ছাত্রকে পরিকল্পিতভাবে চুরি মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। পাশাপাশি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবী জানিয়েছেন তারা। বুধবার বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসা ছাত্রের মা লামিয়া বেগম এ দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে লামিয়া বেগম বলেন, তার শিশুসন্তান আব্দুর রহিম হরিনাফুলিয়া ডা লতিফা আরিফ ইসলামিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর হাফিজি বিভাগের ছাত্র। মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় গত ২৪ জানুয়ারী বরিশাল কলেজের চ্যাটার্জি লেনের ফুপুর বাসায় বেড়াতে যায়। ওইদিন রাতে সেখান থেকে ডিসি অফিসে কর্মরত হাসিব হাওলাদার ও তার দুলাভাই দ্বীন ইসলামসহ ৮-১০ জন মিলে আব্দুর রহিমকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে অমানবিক ভাবে রহিমকে নির্যাতন করে এবং ছেলেকে প্লাজ দিয়ে আঙ্গুলের নক উঠিয়ে ফেলার চেষ্টা করে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা ও রক্তাক্তত্ব জখম করে।

বিষয়টি শোনার পরে রহিমের মা ঘটনা স্থলে গেলে তাকেও নির্যাতন করে এবং পরে তাকে বাসায় আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালায়। এমনকি আমার ঘর-দরজা ভাংচুর করে। এসময় ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ উল্টো তার ছেলেকে নিয়ে যায়। পরে ডিসির অফিসের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে হাসিব হাওলাদার বাদী হয়ে একটি পরিকল্পিত চুরির ঘটনা সাজিয়ে মামলা দেয় (জিআর ৬০/২০২৫) এবং তার ছেলেকে জেল হাজতের মাধ্যমে শিশু কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনার পরে ২৭ জানুয়ারী জামিন পায় শিশু রহিম। এ ঘটনার পর থেকে হাসিব হাওলাদার ক্ষমতার প্রভাবে আব্দুর রহিম এর পরিবার এলাকায় ঢুকতে পারছে না। বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দেয়। তাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তিনি।

বিষয়টি জানতে হাসিব হাওলাদারকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, চুরির বিষয় স্বীকার করেছে শিশু আব্দুর রহিম। পাশাপাশি চুরির সময় ওই এলাকায় শিশু রহিমকে ঘোরাঘুরি করতে দেখেছেন স্বাক্ষীরা।

এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফেরদৌস হোসেন বলেন, সন্দেহভাজন হিসেবে শিশু আব্দুর রহিমকে প্রাথমিকভাবে আটক করে জেলতে পাঠানো হয়েছে। তবে চোরাই কোন মালামাল তার কাছ থেকে পাওয়া যায়নি বলে স্বীকার করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :

মাদ্রাসা ছাত্রের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চুরি মামলা, সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০২:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার

মাদ্রাসা ছাত্রকে পরিকল্পিতভাবে চুরি মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। পাশাপাশি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবী জানিয়েছেন তারা। বুধবার বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসা ছাত্রের মা লামিয়া বেগম এ দাবি করেন।

লিখিত বক্তব্যে লামিয়া বেগম বলেন, তার শিশুসন্তান আব্দুর রহিম হরিনাফুলিয়া ডা লতিফা আরিফ ইসলামিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর হাফিজি বিভাগের ছাত্র। মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় গত ২৪ জানুয়ারী বরিশাল কলেজের চ্যাটার্জি লেনের ফুপুর বাসায় বেড়াতে যায়। ওইদিন রাতে সেখান থেকে ডিসি অফিসে কর্মরত হাসিব হাওলাদার ও তার দুলাভাই দ্বীন ইসলামসহ ৮-১০ জন মিলে আব্দুর রহিমকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে অমানবিক ভাবে রহিমকে নির্যাতন করে এবং ছেলেকে প্লাজ দিয়ে আঙ্গুলের নক উঠিয়ে ফেলার চেষ্টা করে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা ও রক্তাক্তত্ব জখম করে।

বিষয়টি শোনার পরে রহিমের মা ঘটনা স্থলে গেলে তাকেও নির্যাতন করে এবং পরে তাকে বাসায় আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালায়। এমনকি আমার ঘর-দরজা ভাংচুর করে। এসময় ৯৯৯ ফোন দিলে পুলিশ উল্টো তার ছেলেকে নিয়ে যায়। পরে ডিসির অফিসের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে হাসিব হাওলাদার বাদী হয়ে একটি পরিকল্পিত চুরির ঘটনা সাজিয়ে মামলা দেয় (জিআর ৬০/২০২৫) এবং তার ছেলেকে জেল হাজতের মাধ্যমে শিশু কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনার পরে ২৭ জানুয়ারী জামিন পায় শিশু রহিম। এ ঘটনার পর থেকে হাসিব হাওলাদার ক্ষমতার প্রভাবে আব্দুর রহিম এর পরিবার এলাকায় ঢুকতে পারছে না। বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দেয়। তাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তিনি।

বিষয়টি জানতে হাসিব হাওলাদারকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, চুরির বিষয় স্বীকার করেছে শিশু আব্দুর রহিম। পাশাপাশি চুরির সময় ওই এলাকায় শিশু রহিমকে ঘোরাঘুরি করতে দেখেছেন স্বাক্ষীরা।

এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফেরদৌস হোসেন বলেন, সন্দেহভাজন হিসেবে শিশু আব্দুর রহিমকে প্রাথমিকভাবে আটক করে জেলতে পাঠানো হয়েছে। তবে চোরাই কোন মালামাল তার কাছ থেকে পাওয়া যায়নি বলে স্বীকার করেছেন তিনি।