বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত
- আপডেট সময় : ১০:০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
বরিশালে ল্যাবএইডের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
‘আপনার হৃদস্পন্দন সচল রাখুন’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশালে পালিত হয়েছে বিশ্ব হার্ট দিবস। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক লিমিটেড, বরিশাল শাখার উদ্যোগে নগরীতে বর্ণাঢ্য র্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিটি নগরীর সদর রোড থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে র্যালিটি শহীদ মিনারের সম্মুখ ও বরিশাল প্রেস ক্লাবের সামনে দিয়ে পুনরায় ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিকের সামনে এসে শেষ হয়। র্যালিতে ল্যাবএইডের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম সালেহ উদ্দীন, নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. অসীত কুমার সাহা, ল্যাবএইডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. আব্দুল জলিল সিকদার, মার্কেটিং ম্যানেজার মো. কাওছার সিকদার, ডেপুটি ম্যানেজার (অ্যাডমিন) মো. মিজানুর রহমান ও ডেপুটি ম্যানেজার (অ্যাডমিন) মিসেস লুনাসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এসময় কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম সালেহ উদ্দীন হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও অতিরিক্ত মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
তিনি বলেন, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে নিয়মিত হাঁটা ও শারীরিক ব্যায়াম, পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার এবং ধূমপান থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা উচিত।
অধ্যাপক ডা. সালেহ উদ্দীন আরও বলেন, বুকের মাঝখানে চাপ বা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ঘাম, বমিভাব কিংবা ব্যথা হাত, কাঁধ, পিঠ বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করলে অনেক ক্ষেত্রেই গুরুতর জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
তিনি হৃদরোগ প্রতিরোধে ব্যক্তি ও পরিবার পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আয়োজকরা জানান, বিশ্ব হার্ট দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো হৃদরোগের ঝুঁকি ও প্রতিরোধ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত শরীরচর্চা ও সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।


















