বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন ও জনসেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সদ্য বিদায়ী ইউএনও!
- আপডেট সময় : ১১:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ তার দায়িত্বকালীন সময়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং জনবান্ধব সেবা প্রদানের মাধ্যমে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার কার্যকর নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং প্রতিটি প্রকল্পে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত রাখেন। অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ সড়ক সংস্কার, জনসাধারণের চলাচল সুবিধা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ছোট-বড় উন্নয়ন কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল সক্রিয় ও কার্যকর।
বিশেষ করে টিআর (টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে তিনি গুরুত্ব দেন। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং একই সঙ্গে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। প্রকল্প বাছাই থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তিনি স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেন।
এছাড়া ভূমি সেবা সহজীকরণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সঠিক বণ্টন, এবং বিভিন্ন সরকারি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছেন। সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমাতে সরাসরি তদারকি, অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ তার প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডকে আরও কার্যকর করে তোলে।
মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও তিনি ছিলেন অনন্য। অনেক ক্ষেত্রে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করেছেন এবং বিনামূল্যে সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে সক্ষম হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে রুমানা আফরোজ অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার উদ্যোগে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যকার দূরত্ব কমেছে এবং জনসেবার মান উন্নত হয়েছে।
সচেতন মহল মনে করছে, রুমানা আফরোজের দায়িত্বকালীন কার্যক্রম ভবিষ্যতে স্থানীয় প্রশাসনের জন্য একটি অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে। তার গৃহীত উদ্যোগগুলো টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

















