ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত ডা. মাসুম আহমেদকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের ফুলেল শুভেচ্ছা সেবার পাশাপাশি নিরাপত্তায়ও সজাগ বরিশাল ল্যাবএইড, চুরির সময় আটক নারীকে পুলিশে সোপর্দ ফের অসাধু মহলের অপ-তৎপরতার শিকার বরিশাল বিআরটিসি ডিপো ম্যানেজার! এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি পেল এআরএস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চার ছাত্রী বরিশাল টিটিসিতে নিয়মিত ব্যাচ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন কড়াপুরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারকে বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামানের ফুলেল শুভেচ্ছা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বরিশালের এ.কে ইনস্টিটিউশনে শিক্ষক দিবস পালিত বরিশালে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুলের প্যারেটিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উন্নত চিকিৎসাসেবার প্রত্যয়ে বরিশালে ল্যাবএইড লিমিটেড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্যোগে ‘ল্যাবএইড সেবা দিবস’ পালিত

নির্বাচনী ফলে ঝুঁকি দেখছেন সিইসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্কঃ আগামী নির্বাচনে কোনো একটি বড় দল অংশ না নিলে নির্বাচনী ফলে ঝুঁকি দেখছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এ শঙ্কা প্রকাশ করেন সিইসি। ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের সঙ্গে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ কয়েকজন বিদেশি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘নির্বাচন কোন ব্যবস্থাপনায় হবে সেই ইস্যুতে দেশের দুটি বড় দল এখনও অনড় অবস্থানে আছে। অনড় অবস্থাটা দেশের জন্য খুবই বিপজ্জনক। যদি নির্বাচন অনড় অবস্থানের মধ্যে হয় এবং কোনো একটি বড় দল অংশগ্রহণ না করে, আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বলব, নির্বাচনের মূল ফলাফলের ওপর একটি ঝুঁকি থাকতে পারে।’

তবে আগামী নির্বাচনের আগে দেশে রাজনৈতিক সমঝোতা হবে আশা প্রকাশ করছেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘আশা করি আগামী কয়েক মাসে হয়তো দেখব একটা রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে এবং সব দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আমাদের বিভিন্ন দল থেকে বলা হয়েছে, তারাও বিশ্বাস করেন একটি সমাঝোতা হবে। আমরাও আশাবাদী। আমরা আগামী নির্বাচনটা চাই অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে। ফলপ্রসূভাবে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘যেমন নির্বাচন মানা হলো না, একটি ল অ্যান্ড অর্ডার সিসুয়েশন ক্রিয়েট করে ফেলা হলো। মানুষ বিপদগ্রস্ত হলো। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো। আমি সেটাই বলছি। আমরা চাই না এ ধরনের পরিস্থিতি। সেজন্য আমরা বলব, প্রধানতম দল-সরকারে অধিষ্ঠিত দলের প্রতিও আমার আহ্বান থাকবে আপনারাও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যান বিরোধীদলগুলোকে সঙ্গে নিতে। তারাও যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নির্বাচনটাকে যেন অবিতর্কিতভাবে তুলে আনতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘পুরো জাতির কাছে এই নির্বাচনটাকে যেন একটি গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশে ও বিদেশে সেই স্বীকৃতি লাভ করতে পারি। তবে কিছু চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে গেছে। বিভিন্ন পক্ষ-বিপক্ষ মূল যে বিভক্তিটা…. ‘‘নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে’’, ‘‘নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের আমলে হবে’…। সেটার নিরসন কিন্তু এখনো হয়নি। এই প্রশ্নে কিন্তু দুটি দল এখনও অনড় অবস্থানে আছে।’

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমাদের সীমাবদ্ধতাটা বলতে চাই। আমরা নির্বাচন করব সংবিধানের বিধান অনুযায়ী। যেটা বর্তমানে বহাল আছে। সেভাবে আমাদের নির্বাচন করতে হবে। একইভাবে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে সব রাজনৈতিক দল, প্রধানতম রাজনৈতিক দলগুলো যেন অতি অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে। কারণ নির্বাচনে এবং নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ইফেকটিভ প্রতিদ্বন্দ্বিতা না হলে প্রত্যাশিত ভারসাম্য সৃষ্টি হবে না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :

নির্বাচনী ফলে ঝুঁকি দেখছেন সিইসি

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্কঃ আগামী নির্বাচনে কোনো একটি বড় দল অংশ না নিলে নির্বাচনী ফলে ঝুঁকি দেখছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এ শঙ্কা প্রকাশ করেন সিইসি। ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের সঙ্গে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ কয়েকজন বিদেশি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘নির্বাচন কোন ব্যবস্থাপনায় হবে সেই ইস্যুতে দেশের দুটি বড় দল এখনও অনড় অবস্থানে আছে। অনড় অবস্থাটা দেশের জন্য খুবই বিপজ্জনক। যদি নির্বাচন অনড় অবস্থানের মধ্যে হয় এবং কোনো একটি বড় দল অংশগ্রহণ না করে, আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বলব, নির্বাচনের মূল ফলাফলের ওপর একটি ঝুঁকি থাকতে পারে।’

তবে আগামী নির্বাচনের আগে দেশে রাজনৈতিক সমঝোতা হবে আশা প্রকাশ করছেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘আশা করি আগামী কয়েক মাসে হয়তো দেখব একটা রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে এবং সব দলগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আমাদের বিভিন্ন দল থেকে বলা হয়েছে, তারাও বিশ্বাস করেন একটি সমাঝোতা হবে। আমরাও আশাবাদী। আমরা আগামী নির্বাচনটা চাই অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে। ফলপ্রসূভাবে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘যেমন নির্বাচন মানা হলো না, একটি ল অ্যান্ড অর্ডার সিসুয়েশন ক্রিয়েট করে ফেলা হলো। মানুষ বিপদগ্রস্ত হলো। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো। আমি সেটাই বলছি। আমরা চাই না এ ধরনের পরিস্থিতি। সেজন্য আমরা বলব, প্রধানতম দল-সরকারে অধিষ্ঠিত দলের প্রতিও আমার আহ্বান থাকবে আপনারাও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যান বিরোধীদলগুলোকে সঙ্গে নিতে। তারাও যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নির্বাচনটাকে যেন অবিতর্কিতভাবে তুলে আনতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘পুরো জাতির কাছে এই নির্বাচনটাকে যেন একটি গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশে ও বিদেশে সেই স্বীকৃতি লাভ করতে পারি। তবে কিছু চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে গেছে। বিভিন্ন পক্ষ-বিপক্ষ মূল যে বিভক্তিটা…. ‘‘নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে’’, ‘‘নির্বাচন তত্ত্বাবধায়কের আমলে হবে’…। সেটার নিরসন কিন্তু এখনো হয়নি। এই প্রশ্নে কিন্তু দুটি দল এখনও অনড় অবস্থানে আছে।’

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমাদের সীমাবদ্ধতাটা বলতে চাই। আমরা নির্বাচন করব সংবিধানের বিধান অনুযায়ী। যেটা বর্তমানে বহাল আছে। সেভাবে আমাদের নির্বাচন করতে হবে। একইভাবে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে সব রাজনৈতিক দল, প্রধানতম রাজনৈতিক দলগুলো যেন অতি অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে। কারণ নির্বাচনে এবং নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ইফেকটিভ প্রতিদ্বন্দ্বিতা না হলে প্রত্যাশিত ভারসাম্য সৃষ্টি হবে না।’