এএসআই সাইদুলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, সুনাম ক্ষুণ্নের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় কর্মরত এএসআই সাইদুলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তার সহকর্মী, পরিচিতজন এবং স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি।
তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কোতোয়ালি মডেল থানায় অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এএসআই সাইদুল ইসলাম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে তিনি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তার জিরো টলারেন্স নীতির কারণেই একটি অসাধু চক্র তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
স্থানীয়দের দাবি, এএসআই সাইদুল কখনো কোনো হোটেল বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে অবৈধভাবে চাঁদা গ্রহণ করেন না এবং কোনো ধরনের অবৈধ আর্থিক সুবিধাও নেন না। তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোর পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি বলেও তারা উল্লেখ করেন।
তাদের ভাষ্য, একজন সৎ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এতে শুধু একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্মানই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
সচেতন মহল বলছে, কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার না করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হওয়া সম্ভব। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনামহানির কারণ হতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
