ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্মরণকালের অন্যতম বড় সাফল্য/ নটরডেম কলেজে সুযোগ পেলো বরিশাল জিলা স্কুলের ২৭ শিক্ষার্থী- প্রশংসিত প্রধান শিক্ষক! দায়িত্বে কঠোরতায় অপ-প্রচারের শিকার এসআই বশির! চিকিৎসাধীন বিএনপি কর্মীর বাবাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন জিয়াউদ্দিন সিকদার বরিশালে ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিকে বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস পালিত বাকেরগঞ্জে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষার অভিযোগ, বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ! ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটিতে অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন হিমেল রায়পাশা-কড়াপুরে জনসেবায় ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান বরিশালে হাট সুপারশপে শিশুদের জন্য প্লে জোন উদ্বোধন যে দোয়া পড়লে জান্নাত অবধারিত হয়ে যায় বিসিসিতে এনসিপি’র মনোনীত মেয়র প্রার্থী আনোয়ার হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা

দায়িত্বে কঠোরতায় অপ-প্রচারের শিকার এসআই বশির!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

দায়িত্বে কঠোরতায় অপ-প্রচারের শিকার এসআই বশির!

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশির দায়িত্বপ্রাপ্তির পর থেকেই পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে আসছেন বলে সহকর্মীরা জানিয়েছেন।  তবে অল্প সময়ের দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে আয়ের এমন নেতিবাচক অভিযোগ তুলে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছেও বলে সহকর্মীরা মন্তব্য করেছেন।  সংশ্লিষ্টদের দাবি, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিয়ম-কানুনের প্রতি কঠোর অবস্থান নেওয়ায় একটি সুবিধাভোগী মহল তার ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। জানা গেছে, এসআই বশির গত ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অল্প সময়ের জন্য বিএমপির আরও-১ (RO-1) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালন শেষে তাকে অন্য একটি কর্মস্থলে বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি পেশাগত দায়িত্ব, শৃঙ্খলা ও প্রচলিত নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, এসআই বশির যে দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে বিভিন্ন পর্যায়ের কিছু সদস্য দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক ও অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসছিলেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব সুযোগ-সুবিধা সীমিত হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। এতে সুবিধাভোগী কয়েকজনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। তাদের দাবি, ওই অসন্তোষের জের ধরে এসআই বশিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। পরবর্তীতে এসব তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ  প্রকাশিত হয়। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এর মাধ্যমে তার দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ও সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি হলো, অল্প সময়ের দায়িত্ব পালন করেই এসআই বশির বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করেছেন। তবে মাত্র প্রায় ১৫ দিনের দায়িত্বকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের এমন দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা এসব অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। পুলিশের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের ভাষ্য, এসআই বশির দীর্ঘদিন ধরে বরিশালে দায়িত্ব পালন করলেও তার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম বা অপকর্মের কোনো প্রমাণিত ঘটনা তাদের জানা নেই। সংশ্লিষ্টদের দাবি, চাকরিজীবনে অর্জিত আয় ও সঞ্চয় থেকেই নিজের জমিতে একটি ছোট একতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি। তার সম্পদ বা আয়ের বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করেন। সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তা কঠোর অবস্থান নিলে কিংবা কারও অনৈতিক সুবিধা বন্ধ হয়ে গেলে তার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীলভাবে অভিযোগ বা অপপ্রচার চালানো কাম্য নয়। একই সঙ্গে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। তাদের দাবি, এসআই বশিরের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগগুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা তদন্ত প্রতিবেদন, মামলা, নথি বা অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া উচিত। আর অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না থাকলে যাচাইহীন তথ্যের ভিত্তিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। এদিকে এসআই বশির জানান, আমার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। যার সাথে আদৌ আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন স্যারদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :

দায়িত্বে কঠোরতায় অপ-প্রচারের শিকার এসআই বশির!

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

দায়িত্বে কঠোরতায় অপ-প্রচারের শিকার এসআই বশির!

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) বশির দায়িত্বপ্রাপ্তির পর থেকেই পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে আসছেন বলে সহকর্মীরা জানিয়েছেন।  তবে অল্প সময়ের দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে আয়ের এমন নেতিবাচক অভিযোগ তুলে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছেও বলে সহকর্মীরা মন্তব্য করেছেন।  সংশ্লিষ্টদের দাবি, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিয়ম-কানুনের প্রতি কঠোর অবস্থান নেওয়ায় একটি সুবিধাভোগী মহল তার ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। জানা গেছে, এসআই বশির গত ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অল্প সময়ের জন্য বিএমপির আরও-১ (RO-1) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালন শেষে তাকে অন্য একটি কর্মস্থলে বদলি করা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি পেশাগত দায়িত্ব, শৃঙ্খলা ও প্রচলিত নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, এসআই বশির যে দায়িত্বে ছিলেন, সেখানে বিভিন্ন পর্যায়ের কিছু সদস্য দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক ও অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসছিলেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব সুযোগ-সুবিধা সীমিত হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। এতে সুবিধাভোগী কয়েকজনের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। তাদের দাবি, ওই অসন্তোষের জের ধরে এসআই বশিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে। পরবর্তীতে এসব তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ  প্রকাশিত হয়। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এর মাধ্যমে তার দীর্ঘদিনের পেশাগত সুনাম ও সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি হলো, অল্প সময়ের দায়িত্ব পালন করেই এসআই বশির বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করেছেন। তবে মাত্র প্রায় ১৫ দিনের দায়িত্বকে কেন্দ্র করে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের এমন দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট নথি, তদন্ত প্রতিবেদন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা এসব অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। পুলিশের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের ভাষ্য, এসআই বশির দীর্ঘদিন ধরে বরিশালে দায়িত্ব পালন করলেও তার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম বা অপকর্মের কোনো প্রমাণিত ঘটনা তাদের জানা নেই। সংশ্লিষ্টদের দাবি, চাকরিজীবনে অর্জিত আয় ও সঞ্চয় থেকেই নিজের জমিতে একটি ছোট একতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি। তার সম্পদ বা আয়ের বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করেন। সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তা কঠোর অবস্থান নিলে কিংবা কারও অনৈতিক সুবিধা বন্ধ হয়ে গেলে তার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীলভাবে অভিযোগ বা অপপ্রচার চালানো কাম্য নয়। একই সঙ্গে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। তাদের দাবি, এসআই বশিরের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগগুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা তদন্ত প্রতিবেদন, মামলা, নথি বা অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া উচিত। আর অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না থাকলে যাচাইহীন তথ্যের ভিত্তিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। এদিকে এসআই বশির জানান, আমার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। যার সাথে আদৌ আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন স্যারদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।