ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দায়িত্বে কঠোরতায় অপ-প্রচারের শিকার এসআই বশির! চিকিৎসাধীন বিএনপি কর্মীর বাবাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন জিয়াউদ্দিন সিকদার বরিশালে ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিকে বিশ্ব রোগী নিরাপত্তা দিবস পালিত বাকেরগঞ্জে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষার অভিযোগ, বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ! ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটিতে অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন হিমেল রায়পাশা-কড়াপুরে জনসেবায় ইউনিয়নবাসীর আস্থার প্রতীক আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান বরিশালে হাট সুপারশপে শিশুদের জন্য প্লে জোন উদ্বোধন যে দোয়া পড়লে জান্নাত অবধারিত হয়ে যায় বিসিসিতে এনসিপি’র মনোনীত মেয়র প্রার্থী আনোয়ার হোসেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জনসেবার প্রত্যয়ে ১০নং কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন আলহাজ্ব আবদুল হালিম

বাকেরগঞ্জে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষার অভিযোগ, বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাকেরগঞ্জে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষার অভিযোগ, বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ!

 

স্টাফ রিপোর্টার

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি বাজারে দলিলমূলে জমির মালিকানা থাকা সত্ত্বেও ভোগদখলে বাধা এবং আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী মহিউদ্দিন মন্টুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২২ সালে স্থানীয় লোকমান হোসেন গংয়ের কাছ থেকে সৈয়দ মাহবুব আলম ফোরকান ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। জমিটি ৩৮২৪/২৫ দাগের মোট ৩৯ শতাংশ জমির অংশ বলে জানা গেছে। ক্রয়ের পর ওই জমি তার নামে রেকর্ডও করা হয়েছে বলে দাবি করেন ফোরকান।
ফোরকানের অভিযোগ, জমি কেনার পর থেকেই মহিউদ্দিন মন্টু বিভিন্নভাবে তাকে জমিতে প্রবেশ ও ভোগদখলে বাধা দিয়ে আসছেন। এমনকি ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে একাধিক মামলা ও স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা সালিশ-বৈঠক হলেও বিরোধের কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে জানান ফোরকান।
পরবর্তীতে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। ফোরকানের দাবি, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিরোধীয় জমিতে টিনের বেড়া দিয়ে ঘেরাও এবং পাকা স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন মহিউদ্দিন মন্টু।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দলিলপত্র অনুযায়ী তারা সৈয়দ মাহবুব আলম ফোরকানকেই ওই ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ জমির মালিক হিসেবে জানেন। তবে জমির দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
অভিযোগের বিষয়ে মহিউদ্দিন মন্টু বলেন, “৩০-৪০ বছর ধরে আমার স্বজনরা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।” তবে একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জমিটি সরকারি সম্পত্তি। সরকারি সম্পত্তি হয়ে থাকলে সেখানে তার নির্মাণকাজের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ থানার এসআই সোহেল জানান, আদালতের নির্দেশনার কাগজ তারা পেয়েছেন। তিনি বলেন, “বিরোধীয় জমিতে মহিউদ্দিন মন্টু যাতে কোনো ধরনের কাজ করতে না পারেন, সে বিষয়ে তাকে নোটিশ দিয়ে আসব।”
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—দলিল, রেকর্ড ও আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ চলতে থাকলে এর পেছনে কার প্রভাব কাজ করছে? বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
1
ট্যাগস :

বাকেরগঞ্জে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষার অভিযোগ, বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ!

আপডেট সময় : ০৭:৩১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাকেরগঞ্জে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষার অভিযোগ, বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ!

 

স্টাফ রিপোর্টার

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি বাজারে দলিলমূলে জমির মালিকানা থাকা সত্ত্বেও ভোগদখলে বাধা এবং আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী মহিউদ্দিন মন্টুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২২ সালে স্থানীয় লোকমান হোসেন গংয়ের কাছ থেকে সৈয়দ মাহবুব আলম ফোরকান ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয় করেন। জমিটি ৩৮২৪/২৫ দাগের মোট ৩৯ শতাংশ জমির অংশ বলে জানা গেছে। ক্রয়ের পর ওই জমি তার নামে রেকর্ডও করা হয়েছে বলে দাবি করেন ফোরকান।
ফোরকানের অভিযোগ, জমি কেনার পর থেকেই মহিউদ্দিন মন্টু বিভিন্নভাবে তাকে জমিতে প্রবেশ ও ভোগদখলে বাধা দিয়ে আসছেন। এমনকি ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে একাধিক মামলা ও স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা সালিশ-বৈঠক হলেও বিরোধের কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে জানান ফোরকান।
পরবর্তীতে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। ফোরকানের দাবি, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিরোধীয় জমিতে টিনের বেড়া দিয়ে ঘেরাও এবং পাকা স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন মহিউদ্দিন মন্টু।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দলিলপত্র অনুযায়ী তারা সৈয়দ মাহবুব আলম ফোরকানকেই ওই ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ জমির মালিক হিসেবে জানেন। তবে জমির দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
অভিযোগের বিষয়ে মহিউদ্দিন মন্টু বলেন, “৩০-৪০ বছর ধরে আমার স্বজনরা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।” তবে একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জমিটি সরকারি সম্পত্তি। সরকারি সম্পত্তি হয়ে থাকলে সেখানে তার নির্মাণকাজের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ থানার এসআই সোহেল জানান, আদালতের নির্দেশনার কাগজ তারা পেয়েছেন। তিনি বলেন, “বিরোধীয় জমিতে মহিউদ্দিন মন্টু যাতে কোনো ধরনের কাজ করতে না পারেন, সে বিষয়ে তাকে নোটিশ দিয়ে আসব।”
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—দলিল, রেকর্ড ও আদালতের নির্দেশনা থাকার পরও বিরোধীয় জমিতে নির্মাণকাজ চলতে থাকলে এর পেছনে কার প্রভাব কাজ করছে? বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগতভাবে নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।