খবর বিজ্ঞপ্তি
বরিশালে এক কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অহেতুক অপ-প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী হলেন- মো: মোকলেচুর রহমান। তিনি নগরীর বেগম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। এঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বিবৃতিতে জানান, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বরিশাল খবর ডটকম’-এ “বরিশালের বেগম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মহিলা কলেজের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে যে তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে বাস্তবে তার কোন সত্যতা নেই। মূল বিষয়টি হচ্ছে গভর্ণিং বডির অনুমোদন ব্যতীত অত্র কলেজে একটি টাকাও অতিরিক্ত নেয়া হয়না। আদায়কৃত অর্থ শিক্ষার্থী কর্তৃক স্ব-স্ব রশিদের মাধ্যমে জনতা ব্যাংক লিমিটেড, মেডিকেল কলেজ শাখা, বরিশাল-এ কলেজের হিসাব নম্বরে (জেনারেল ফান্ডে) জমা দেওয়া হয়। একইসাথে শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যাংক কর্তৃক স্বাক্ষরিত দুটি কপি তাদের নিকট সংরক্ষিত থাকে।
তিনি আরও জানান, দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সময় কোন ফি নেওয়া হয়না। শুধুমাত্র বকেয়া বেতন ও সেশন ফি নিয়মানুযায়ী শিক্ষার্থীরা ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দেয়া হয়। এখানে প্রত্যেকটি লেনদেন ও সামগ্রিক আয়-ব্যয় ব্যাংকিং পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ সতর্ক ও স্বচ্ছতার সাথে হয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নগদ অর্থ (হাতে-হাতে) গ্রহন করা হয় না। সুতরাং প্রকাশিত সংবাদে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তীহিন ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ও বানোয়াট। সংবাদের সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই। এক শ্রেনীর কুচক্রীমহল ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সম্মান ক্ষুন্নের অপচেষ্টার অংশ হিসেবে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। এছাড়া সংবাদ প্রকাশের পুর্বে আমার কোন বক্তব্যও নেয়া হয়নি। যা সাংবাদিকতার নীতি বিরোধী।
আমি প্রকাশিত ঐ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
