ঢাকা   ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । বৃহস্পতিবার । বিকাল ৪:৩৩

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বরিশালের পুলিশ সদস্যদের সংবর্ধনা

মহান বিজয় দিবসে ‘মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের অবদান স্মরণে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উদ্যোগে বীর মিক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় নগরীর বান্দ রোডস্থ মাদ্রাসা সড়কে বিএমপি’র অফিসার্স মেস সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন- বিএমপি কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান। প্রধান অতিথির কক্তৃতায় বীর পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা আমাদের গর্বের ধন, মুক্তিযুদ্ধে আপনাদের অসামান্য অবদানের জন্যই আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। বাংলাদেশ পুলিশের রয়েছে একটি গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশই সর্ব প্রথম নিজের জীবন বাজি রেখে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে দেশটাকে স্বাধীন করেছিল। আমরা বীর পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরসূরী, এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। পুলিশ কমিশনার তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, ‘আপনাদের দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হই। আপনারা মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে যে স্বপ্ন নিয়ে, যে চেতনা নিয়ে দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন; আপনাদের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপনাদের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক ও বাহক হিসেবে, একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও অসাম্প্রদায়ীক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে আমরা এগিয়ে চলছি। তিনি বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি তথা পাকিস্তানের দোসররা মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্মকে স্বাধীনতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেশের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা করেছিল। তারাই আজ আবার জাতির পিতার ভাস্কর্য ভেঙে ধর্মকে জাতীয় সত্তার বিরুদ্ধে, সংস্কৃতির বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্র করছে। সেই জায়গায় যেন আমরা সবাই সতর্ক থাকি। স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আমাদেরকে নিরন্তন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। অনুষ্ঠানে বিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার প্রলয় চিসিমসহ বিভিন্ন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারগন উপস্থিত ছিলেন। পরে বিএমপি কমিশনার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আগত সকল বীর পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পরিচয় হন।

%d bloggers like this: