ঢাকা   ৩০শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১৬ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । বৃহস্পতিবার । সকাল ৬:৩২

বাবুগঞ্জে শিক্ষক ও শিক্ষিকার আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস!

অনলাইন ডেস্ক : বরিশালের বাবুগঞ্জে রহমতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোক্তার হোসেন ও বাবুগঞ্জের ৬৪ নং মুশুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা নার্গিস’র পরকীয়া প্রেম ফাঁস হয়ে যাওয়ায় নিজের অপরাধ ডাকতে এবং সরকারী চাকরী বাচাতে নাটকীয় বিয়ে করেছে। কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পরেই সৃষ্টি হয় তাদের মধ্যে বিরোধ। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও তার পরকীয়া প্রেমিক দুই জনেই বাবুগঞ্জের মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে পুরস্কার পায়। পুরস্কার নেওয়ার সময় তাদের দুজনের মধ্যে ২০১৭ সালে পরিচয় হয়। তার পরই শুরু হয় তাদের প্রেম থেকে শুরু করে অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রেমের টানে শিক্ষক মোক্তার স্ত্রী এবং দুই সন্তানের কথা ভুলে গিয়ে শামীমা নার্গিসের পরকীয়া প্রেমে ডুবে যায় তিনি। কর্মস্থলে ও স্ত্রী সন্তানের কাছে ট্রেনিং যাওয়ার কথা বলে চলে যান প্রেমিকা শামীমাকে নিয়ে শারিলীক সম্পর্ক (সেক্স) করার জন্য কুয়াকাটা থেকে শুরু কর বিভিন্ন বিনোদন স্পষ্টে। মোক্তারের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে প্রধান শিক্ষিকা শামীমা নার্সিস তার দুই সন্তানের কথা ভুলে গিয়ে তার প্রথম স্বামীকে ডিভোর্স দেন। পরে প্রেমিক মোক্তার আবেগে পরকীয়া প্রেমিকাকে বলেন আমার প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে তোমাকে বিয়ে করবো। প্রেমিক মোক্তারের কথা সন্দেহ মনে হলে শামীমা তাকে বিয়ের চাপ সৃষ্টি শুরু করেন। বিয়েতে মোক্তার রাজি না হলে প্রেমিকা শামীমা নার্সিস তাদের এক সাথে আপত্তিকর কিছু ছবি ও তাদের দুজনের সেক্স ভিডিও দেখায়। পরে মোক্তার হোসেন তাকে ১৫ লক্ষ টাকা কাবিন করে বিয়ে করেছে বলে প্রেমিকা শামীমা তার প্রথম স্ত্রীকে জানান। তার পর থেকেই শুরু হয় মোক্তারের সংসারে নানা সমস্যা। তবে ফেইসবুক সহ বেশ কিছু লোকের কাছে তাদের আপত্তিকর কিছু ছবি ও একটি ভিডিও প্রকাশ হওয়ার পরই বাবুগঞ্জে শুরু হয়েছে তাদের নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের অভিযোগ ছোট বাচ্চা শিক্ষকদের কাছ থেকে শিক্ষা জ্ঞান অর্জন করেন। তবে এই দুই শিক্ষক ও শিক্ষিকা খারাব ছবিও ভিডিও তারা যদি দেখতে পায় তাহলে তারা কি শিকবে তা আমাদের অভিভাবকরা বলে পারিনা। এবিষয়ে বাবুগঞ্জে রহমতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লম্পট প্রধান শিক্ষক মোঃ মোক্তার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে পারেনি। পরে প্রতিবেদক কৌশলে জানতে চেস্টা করলে তিনি বলেন ভাই আমি ভুল করেছি তার ফাঁদে পরে। আপনার কাছে অনুরোধ করছি বিষয়টি নিয়ে কোন সংবাদ প্রকাশ করবেন না। এদিকে বাবুগঞ্জের ৬৪ নং মুশুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা নার্গিস’র বলেন আমার সাথে মোক্তারের প্রথম পরিচয় হয় তখন তিনি কৌশলে আমার ফোন নাম্বারটি নেন। তার পর থেকেই প্রতিদিন আমাদের ফোনে কথা হতো। এর পরে আমার দুজনে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেতাম। একসাথেও থাকতাম তখন মনে হয় মোক্তার কৌশলে বুদ্ধি খাটিয়ে ভিডিওটি করেছে আমাকে জিম্মি করার জন্য। আর ছবি গুলো আমার দুইজনেই তুলেছি। তবে কি ভাবে এগুলো বাহিরে চলে গেছে তা আমি জানি না। পুরুস্কার পাওয়া দুই প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকার পরকীয়া প্রেম নিয়ে দুই স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাথীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

%d bloggers like this: