ঢাকা   ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । সোমবার । রাত ২:৩৫

বাবুগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা জমিতে স্থাপনা নির্মাণের প্রতিবাদ করায় হামলা, ব্যাংকার্সসহ আহত-২

অনলাইন ডেস্কঃ বাবুগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা জমিতে জোরপূর্বক স্থাপনা তোলার প্রতিবাদে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকারসহ দুইজনের উপর হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এ সময় তাদের সাথে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটায় উপজেলার সিংহের কাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো মৃত বাসের আলী সরদারের ছেলে সাহেদ আলীও তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী ফিরোজা বেগম। বর্তমানে তারা গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছে। হামলায় শাহেদ আলীর মাথাও কপালে মারাত্মক জখম হয়েছে।

তবে অবস্থার অবনতি হলে যেকোনো সময় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অপরদিকে অভিযুক্ত হামলাকারী মাহমুদা বেগম একই এলাকার মৃত আয়নাল সরদার এর মেয়ে। এছাড়া অন্যান্যরা হলেন মাহমুদার বোন বিলকিস বেগম, বিউটি বেগম এবং বিউটির ছেলে মনিরুজ্জামান। আহত শাহেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে শাহেদ আলীর ক্রয় কৃত জমি নিয়ে প্রতিপক্ষ মাহমুদাসহ তাদের পরিবারের সাথে বিরোধ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে শাহেদ আলী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ প্রশাসনকে জানালে মাহমুদসহ তার সহযোগীরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে যায়।

বিরোধপূর্ণ জমির কিছু অংশ ক্যাডার বাহিনী দিয়ে জোরপূর্বক জবরদখল করে ঘর স্থাপন করেন মাহমুদসহ তার সহযোগীরা। এ নিয়ে শাহেদ আলী আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রেখে বাবুগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। উভয়পক্ষকে থানার ওসি ডেকে আদালতের নিষেধাজ্ঞা বিষয়টি জানিয়ে নোটিশ করেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে মাহমুদাসহ তাদের সহযোগী বিলকিস, বিউটি, মনিরুজ্জামান বিরোধপূর্ণ জমিতে টয়লেট স্থাপন করলে শাহেদ আলী সহ তার পরিবারের লোকজন বাধা দেয়। এরই জের ধরে একপর্যায়ে ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে চারটায় মাহমুদা, বিলকিস, বিউটি, মনিরুজ্জামান পরিকল্পিতভাবে শাহেদ আলীর উপরে হত্যার চেষ্টায় হামলা চালায়।তাকে বাঁচাতে ভাইয়ের স্ত্রী ফিরোজা বেগম আসলে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন মাহমুদা সহ অন্যান্য সহযোগীরা।

শাহেদ আলী আরো জানান, মাহমুদার স্বামী একজন পুলিশ সদস্য হওয়ায় তার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আইনের নিয়ম কানুন তোয়াক্কা করে না। শাহেদ সহ তার পরিবারের উপর দফায় দফায় বিভিন্ন জুলুম অত্যাচার করে মাহমুদা। তাছাড়া তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রায় সময় শাহেদ সহ তার পরিবারকে বিভিন্ন ভয়ভীতিসহ প্রাণনাশের ও হুমকি দেওয়া হয়। হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে আহতের স্বজনরা জানান।

%d bloggers like this: