ঢাকা   ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । মঙ্গলবার । রাত ১২:২৪

বরিশাল নগরীর ৫নং ওয়ার্ডে জমি বিক্রির নামে ভুয়া দলিল দিয়ে প্রতারনা, অতঃপর

অনলাইন ডেস্কঃ বরিশাল নগরীতে ক্রমেই বেড়ে চলছে জমির দালাল চক্রের সংখ্যা। মূলত এই চক্রের টার্গেটে গ্রামের সরজ সরল মানুষ। প্রশাসন মাঝে মধ্য এদের বিরুদ্ধে  অভিযান পরিচালনা করলেও চক্রের অনেকেই থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাহিরে। নগরীর কাউনিয়া থানাধীন ৫নং ওয়ার্ড পলাশপুরে এরকম একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে।

গতকাল সেই চক্রটির হাতে প্রতারনার শিকার ৫নং ওয়ার্ড পলাশপুর (মোহাম্মদপুর) এলাকার মুকুল মুকুল বেগম বরিশাল মোকাম বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীরা হলেন ৫নং ওয়ার্ডের মৃত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারের ছেলে মনির হাওলাদার (৪৮), মৃত আবুল কাশেম হাওলাদের ছেলে চান মিয়া (৫২), মৃত লতিফ খানের ছেলে মানিক মিয়া (৫৫), বাদশা হাওলাদের ছেলে সুমন হাওলাদার (৩০)।

এ বিষয়ে বরিশাল সিটি মেয়র ও ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সহ বেশ কয়েকটি দপ্তরে কাছে অভিযোগ দেন পলাশপুর মহিলা যুবলীগ নেত্রী মোসা: মুকুল বেগম। বীর মুক্তিযোদ্বা আ: খালেক ভুইয়ার মেয়ে মুকল বেগম তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ২০১৮ সালের ৩জুন আসামীদের কাছ থেকে ৩শতাংশ জমি করার পূর্বে ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক হুমায়ন কবির শামীমকে শাক্ষী রেখে বায়না চুক্তিপত্র করি। পরে সম্পুর্ন  টাকা তার হাতে তুলে দেন মুকুল। জমির প্রথম দলিল করার পরে জানা গেলো দলিলটি ভুয়া।

তার পরে ২য় বার দলিল করার পরে জানা যায়, দলিল সূত্রে কোন জমিই নেই। ঘটনার মিমাংসার জন্য ২০১৮ সালের ৩১আগস্ট কাউনিয়া থানায় বসা হয়। সেখানে বসে আসামীরা মোট টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা তাৎক্ষণিক ফেরৎ দেয় এবং বাকি টাকা পরবর্তি ২কিস্তিতে ফেরৎ দেওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত আসামীরা মুকুল বেগমের বাকি কোন টাকাই ফেরত দেয়নি। ভুক্তভুগী মুকুল বিষয়টি বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল জেলা প্রশাসক, কাউনিয়া থানার ওসি সহ সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করে্ন।

%d bloggers like this: