ঢাকা   ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । বৃহস্পতিবার । রাত ৩:২৮

বরিশালে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার ও পেট্রোল, দূর্ঘটনার আশঙ্কা

মোঃ তানজিমুন রিশাদঃ  প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ফায়ার সার্ভিস এর অনুমোদন ছাড়া বরিশাল নগরীর বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র চরম ঝুকিপূর্ণ ভাবে বিক্রি হচ্ছে এল.পি গ্যাস (সিলিন্ডার গ্যাস) ও পেট্রোল। যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন পথচারীরা।বাঁশখালীতে যত্রতত্র চলছে খোলা বাজারে গ্যাস সিলিন্ডার ও তৈল বিক্রি

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মুদি দোকান হতে শুরু করে চায়ের দোকান, লোডের দোকান, প্লাস্টিক সামগ্রী’র দোকান, টিনের দোকান, স্যানিটারীর দোকানসহ যে কোন দোকানের সামনে রাস্তার পাশে এলপি গ্যাস (সিলিন্ডার গ্যাস) সারি বদ্ধ রেখে বিক্রি হচ্ছে এবং এর সাথে অনুমোদন ছাড়া পেট্রোলও অবাধে বিক্রি হচ্ছে।এসব অধিকাংশ দোকানেরই এলপি গ্যাস ও পেট্রোল বিক্রি করার মত অনুমোদন পত্র নেই।

সূত্রমতে , কোন রকম নিয়ম না মেনে শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আবার কেউ অনুমোদন ও অগ্নিনির্বাপক ও বিস্ফোরক লাইসেন্স ছাড়াই এ জ্বালানি ও পেট্রোল ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়াই হাট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার

এসব দোকানে নেই আগুন নির্বাপক যন্ত্র। আর সেই যন্ত্র না থাকায় যে কোন মূর্হুতে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটলে তার প্রতিকারও জানা নেই এসব ব্যবসায়ীদের। জনবহুল এলাকায় ঝুকিপূর্ণ ভাবেই এসব ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ, নতুন বাজার, চৌমাথা, রুপাতলী, লঞ্চঘাট, পোর্ট রোড,এলাকাসহ পার্শ্ববর্তী ছোট বড় বাজারগুলোতে এলপি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে। এলপি গ্যাসের চাহিদা বাসা বাড়ীতে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই যত্রতত্র নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই প্রকাশ্যে বিক্রি করছে। সচেতন মহলের দাবি এভাবে চলতে থাকলে যে কোন সময় বড় ধরনের ‌দূর্ঘটনা ঘটতে পারে, তাই যত দ্রুত সম্ভব এসকল অবৈধ দোকানে অভিযান চালিয়ে এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।ভালুকায় অনুমোদন বিহিন দোকানে চলছে এলপি গ্যাসের অবৈধ ব্যবসা, নেই কোন সরকারী  তদারকি

এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, খুব দ্রুতই আমরা ফায়ার সার্ভিস এর কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে এইসকল অবৈধ দোকান বন্ধে অভিযান পরিচালনা এবং আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

%d bloggers like this: