ঢাকা   ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । বৃহস্পতিবার । বিকাল ৪:১৭

বরিশালে ডাক বিভাগের কাঞ্চন আলীর খুটির জোর কোথায়?

অনলাইন ডেস্কঃ ভুয়া সনদ দিয়ে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সরকারি চাকরি করছেন। তার উপর আবার অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগের শেষ নেই, বরিশাল ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল (ডিপিএমজি) অফিসের নৈশ প্রহরী কাঞ্চন আলী শিকদারের বিরুদ্ধে। এসব বিষয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছেন, ওই অফিসের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী তপন কুমার বালা।

এছাড়া আবেদনের অনুলিপি প্রেরণ করা হয়েছে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক বরাবরে। আবেদনে উঠে এসেছে বরিশাল ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মোঃ মিজানুর রহমানের নাম। যার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির নানা অপকর্ম করে যাচ্ছেন কাঞ্চন আলী। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে নব্বই দশকে নবম শ্রেণীর সনদ দিয়ে নৈশ প্রহরী পদে চাকুরী নেন কাঞ্চন আলী। যেখানে শিক্ষা সনদ ও জন্ম সনদে স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের ঠিকানা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী জেলার লাউকাঠি এলাকায়।

বিগত বিএনপি জোট সরকারের সময়ে বরিশাল পোস্ট অফিসের বিএনপি নেতা ছিলেন কাঞ্চন আলী। বঙ্গবন্ধুর ছবির উপরে পা রেখে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেন তিনি। পড়ে এ ঘটনায় কাঞ্চন আলীকে অভিযুক্ত করে তৎকালীন ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এর পরপরই বর্তমান ডিপিএমজি মিজানুর রহমান বরিশালে যোগদান করার পর তার ছত্রছায়ায় বেপরোয়া ভাবে অনিয়ম-দুর্নীতি শুরু করেন কাঞ্চন। ডিএমজিকে ম্যানেজ করে দায়িত্ব নেন, পোস্ট অফিসের ডাকবাংলোর তত্ত্বাবধায়কের।

একাধিক রেজিস্টার খাতা ব্যবহার করেন তিনি। এখান থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এছাড়া ডিপিএমজি অফিসের মেরামত, গ্যারেজ তৈরি, ফুলের বাগান ও পুকুরে মাছ চাষ ইত্যাদি কাজের নামে ভুয়া ও অতিরিক্ত বিল তৈরি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। তার ছএছায়ায় ডাক বাংলোয় অবৈধ কার্যকলাপের ও অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত পূর্বক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগ পত্রে সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। চলমানঃ

%d bloggers like this: