ঢাকা   ২৮শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । মঙ্গলবার । সন্ধ্যা ৬:৩১

পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা, প্রতারক আটক

??????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????????

পুলিশ হেল্পলাইন ৯৯৯ এ ফোন করে নিরাপরাধ ২ লোককে খুন সহ ডাকাতি মামলার আসামি বলে অভিযোগ দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টায় এক প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ। আটক রেজাউল মোল্লা(৫০) পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর বাদুরা গ্রামের বাসিন্দা। আজ সোমবার(৩০ নভেম্বর) বিকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তর মোঃ খাইরুল আলম এ তথ্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তিনি আরও জানান,বিসিসি ৩ নং ওয়ার্ড মতাসার এলাকার বাসিন্দা ও কাউনিয়া মরোকখোলা পোল জান্নাতুল এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী মোঃ রিয়াজুল হক সরদার বিগত ২০১৯ সালের ৬ আগষ্ট অজ্ঞাত খুনীদের হাতে খুন হন। পরে লাকুটিয়া সড়ক তালতলার মোড়ের পাশে একটি ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।যার প্রেক্ষিক্ষতে এয়ারপোর্ট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।পরবর্তীতে পুলিশের তদন্তে মামলার মূল রহস্য খুন সহ ডাকাতির ঘটনা উদঘটন করা হয়েছে।মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।এদিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর বাদুরা গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল মোল্লা বরিশালের বিভিন্ন এলাকায় বালু ভরাটের কাজ করার সুবাদে এ ক্লুলেস হত্যার কথা জানতে পেরে তার সাথে পূর্বশত্রুতার জের ধরে কাশীপুর ইছাকাঠী এলাকার বাসিন্দা হানিফ সিকদার ও গৌরনদীর বাটাজোর এলাকার বাসিন্দা জসিম সন্যামতকে উক্ত মামলার আসামি বানিয়ে পুলিশের কাছে ভুল তথ্যদেয়। পুলিশ হেল্প লাইন ৯৯৯ এ ফোন করে এবং এদেরকে ধরার জন্য পুলিশকে নানা ভাবে চাপপ্রয়োগ করে। মামলার বাদী মৃত রিয়াজুল হকের স্ত্রী নাজমিন বেগমকেও পুলিশ হেল্প লাইন ৯৯৯ এফোন দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দিতে চাপ প্রয়োগ করে। এক পর্যায়ে পুলিশ এই দুই ব্যক্তিকে তার কথামত না ধরার কারনে এক পুলিশ অফিসারকেও মোবাইল ফোনে নানা রকম হুমকি দিতে থাকে।এর প্রেক্ষিতে পুলিশ নতুন করে মামলা তদন্তে নেমে কথিত দুই ব্যাক্তির কোন সংশ্লিস্টতা না পেয়ে পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার কারনে প্রতারক রেজাউল মোল্লাকে আটক করে। উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তর মোঃ খাইরুল আলম আরও জানান,প্রতাারক রেজাউল মোল্লা মামলার বাদী নাজমিন বেগমকে বিভিন্ন সময়ে মোবাইলে কু প্রস্তাব দিয়েছে। এক পর্যায়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এই প্রতারক। এছাড়াও ব্যক্তি জীবনে রেজাউল মোল্লার দুই স্ত্রী। তার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী জজকোর্টে একটি জাল টাকার মামলা রয়েছে। আটক প্রতারক রেজাউল মোল্লাকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার উত্তর মোঃ ফজলুল করিম, এয়ারপোর্ট থানার সহকারী কমিশনার নাসরিন জাহান, এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)শাহ মোঃ ফয়সাল প্রমুখ।

%d bloggers like this: