ঢাকা   ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । সোমবার । রাত ২:০৯

নীলফামারীতে ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজে অবৈধভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান

আব্দুল মোমিন, নীলফামারীঃ নীলফামারী ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত ও নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকা অধ্যক্ষ মেসবাহুল হকের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০) দুপুরে ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের কর্মরত সকল শিক্ষক ও কর্মচারীর আয়োজনে চৌরঙ্গী মোড় সৃতি অম্লান চত্তরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন শেষে অধ্যক্ষ মেসবাহুল হককে অপসারণ ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য জোর দাবী প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক ও কর্মচারী।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মোঃ মাহবুবুর রহমান, তিমির কুমার বর্মন, আ,ক,ম মিজানুর রহমান, ভুবন মোহন তরফদার,তুষার কান্তি রায়, আমিনা আখতার বানু, সাবিনা ইয়াসমিন, রীনা রানী দাসসহ সকল শিক্ষক ও কর্মচারী। মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১০ ও ২০১৮ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত হলে প্রধান শিক্ষক স্ববেতনে স্বপদে নিয়োজিত থাকবেন।

উ”চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উ”চ মাধ্যমিক স্তর এমপিও ভুক্ত না হলে এবং প্রধান শিক্ষক পদটি শূন্য হলে উক্ত পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি উ”চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্তরে এমপিও ভুক্ত হলে তখন প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য হলে পদটি অধ্যক্ষ পদে উন্নীত হবে এবং অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে নিয়োগের পূর্বে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।

কিš‘ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অুনমতি ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজটি উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এমপিও ভুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও এবং অধ্যক্ষ পদ সৃষ্টি না হলেও অধ্যক্ষ নিয়োগের জন্য ২১ ডিসেম্বর ১৬ তারিখে দায়িত্বরত অধ্যক্ষ মোঃ সুলতান আলী শাহ অধ্যক্ষ নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ডে সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মেসবাহুল হককে অধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত করে।

এরপর ২২ ডিসেম্বর ১৬ তারিখে নিয়োগ পরীক্ষার কার্য বিবরণী কমিটিতে অুনমোদন,একই দিনে নিয়োগ ও যোগদান করে মেসবাহুল হক। তিনি অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানে নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি করে আসছেন।

বিশেষকরে তার দুর্নীতি, স্বে”ছাচারিতা, মহিলা শিক্ষকদের সাথে অশালীন আচরণ ও লক্ষ লক্ষ টাকা আত্তসাৎ সহ নানা অনিয়মের সাথে জড়িত অধ্যক্ষ মেসবাহুল হক। তাই অধ্যক্ষ মেসবাহুল হকের অপসারণ ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা জোর দাবী জানাই ।

%d bloggers like this: