ঢাকা   ২৮শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । সোমবার । সকাল ৬:৪২

দীর্ঘ ২৬ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে চাঁদেরহাট ডিগ্রি কলেজকে শিক্ষা নগরীতে পরিনত করেছেন অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম

আব্দুল মোমিন, নীলফামারীঃ নীলফামারী সদরে ছায়াঘেরা প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে ১৯৯৪ সালে চাঁদের হাট ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম তার গ্রামের অসহায় মানুষের ছেলে-মেয়েদের কথা চিন্তা করেন কিভাবে কম খরচে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে। সে চিন্তা মাথায় নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন চাঁদের হাট ডিগ্রী কলেজ। কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের প্রানপন চেষ্টায় বর্তমানে কলেজ থেকে ডিগ্রি ও অনার্স কোর্স চালু করা হয়েছে।

বর্তমানে সেই কলেজটি গ্রামের গন্ডি পেড়িয়ে জেলায় অর্জন করেছে যথেষ্ঠ সুনাম। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ১০৫০ জন। সেই সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অধ্যক্ষ সহিদুল ইসলাম। উক্ত কলেজের মানবিক বিভাগের নব-ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী ইসতিয়াক আহমেদ (রোল:১২৮) এর সাথে কথা হলে সে জানায়, আমার পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল না। আমার পরিবার ভর্তির পুরো ফি দিতে পারছে না তখন অধ্যক্ষ স্যারকে একটা আবেদন দেওয়াতেই তিনি ১০০০ টাকা মওকুফ করে দেন। বানিজ্য শাখার অপর এক শিক্ষার্থী সেতারা আক্তার (রোল:২৪) জানায়, আমি টাকার অভাবে ভর্তি হতে পারছিলাম না। অধ্যক্ষ স্যার নিজে আমাকে ১৫০০শত টাকা দিয়ে কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ করে দেন।

বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার একই অনুভুতি প্রকাশ করেন। উক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ বলেন, অধ্যক্ষ স্যার শুধু চাঁদেরহাট ডিগ্রী কলেজ নয় তিনি চাঁদেরহাটকে শিক্ষা নগরীতে পরিনত করেছেন। তার হাতে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 চাঁদের হাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ২৬ বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল আজকের এই কলেজ। যাতে এলাকার ছেলে মেয়েরা কম খরচে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারেন।

%d bloggers like this: