ঢাকা   ২৭শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । সোমবার । বিকাল ৩:২৫

জনতার মাঝে জননেতা হোসাইন ফরহাদ

রাঙ্গাবালী প্রতিনিধিঃ  পটুয়াখালী জেলার সবচেয়ে নিম্নাঞ্চল ও অবহেলিত অঞ্চল হলো রাঙ্গাবালী উপজেলা।এই উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের বড়বাইশদিয়া মৌজার কৃতি সন্তান মোঃ ফরহাদ হোসেন। করোনার এই মহামারির সময় জনগনের দ্বারে দ্বারে খোজ খবর নিতে গিয়েছিলেন এবং ছুটে চলেছেন এই জনতার প্রিয় মুখ। বিগত দশ বছরের ন্যায় ভাইরাস প‌রবর্তীতে বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের প্রত্যন্তঞ্চল ও কোনা কাঞ্চিতে জনগনের ভালমন্দের খবর নিতে রোদ বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ছুটে চলেছেন এক গন্তব্যহীন লক্ষ্যে। করোনা প্রতিরোধে সরকারীভাবে নিষেধাজ্ঞাসহ যে সচেতনতার বিধান রয়েছে ও বেকার হওয়া বিভিন্ন শ্রমজীবি ও সম্প্রদায়ের যে যেখানে হাটবাজার রাস্তাঘাটসহ বাড়ি বাড়িতে গিয়ে তাদের খোজ খবর নেন এই নেতা ।

তাকে দেখতে ছুটে আসছেন সকল শ্রেনির মানুষ ,কেউ এসে জরিয়ে ধরে বলেন আপনি আমাদের মাঝে সব সময় থাকবেন । তরুন প্রজন্ম যেন প্রান খুজে পায়। তারা বলেন-আপনার সাথে আমরা মোন খুলে আমাদের আবেগ অনুভুতি কথা বলতে পারি যা অন্যকারো সাথে পারিনা । সবাই বুজবেও না আমাদের সমস্যা ও আমদের চাহিদা কি? তাই আপনি আমাদের মাঝে চেয়ারম্যান হিসেবে থাকবেন এটা আমাদের দাবি। আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবার চোখের মনি যেন ফরহাদ। মোঃ রিফাত মুন্সি বলেন, করোনা কালিন সময় কে কার খোজ খবর নিছে কি না জানিনা ।ফরহাদ ভাই আমার খবর সহ সকল এলাকার খবর নিছে ।এমন কি গভীর রাতে হতদরিদ্রের দুয়ারে গিয়ে ঘুম ভাঙ্গিয়ে চাল, ডাল, তেল, লবণ ও সাবান বিতরণ করেছেন এই মানুষ। যা আমি নিজে তারহয়ে দিয়ে আসছি।

ঘুম ভেঙ্গে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো পেয়ে খুশি করোনার প্রভাবে বড়বাইশদিয়ার মানুষগুলো। রাতে দ্বারে দ্বারে খাদ্যসামগ্রী পৌছানো যেন খলিফায়ে রাশেদীন যুগের মতই একজন মানুষের আবির্ভাব! গাইয়াপাড়া জনাব মোঃ খায়রুল শিকদার বলেন, ( এক আনন্দ ঘনমূহুর্তে ) আমার দাবি এইবার যদি বড়বাইশদিয়ার সাধারন মানুষের মুক্তি মেলে তবে তোমাকে অবশ্যই নির্বাচন করতে হবে। মোঃ ফরহাদ হোসেন তাদের উদ্দেশ্যে বলেন-আপনাদের মূল কাজ হলো সরকারের নির্দেশনা মেনে ঘরের ভিতরে থাকা। জরুরী কাজে বাইরে গেলেও নিরাপদ দুরত্বে থাকা। আপনারা ঘরের ভিতরে থাকেন । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে ও তার দেখানো পথে করোনাকে প্রতিহত করবো ইনশাআল্লাহ। আজকে প্রায় ১৭-১৮ বছর বড়বাইশদিয়া নির্বাচন হয়না।

আজকে যাদের বয়স ৩৫বছর তারা ইউনিয়ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি! তারা যানেনা একটজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব কর্তব্য কি! এটা আমাদের অধিকার, এটা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার! আমরা কেন ভোট দিতে পারবোনা? এই প্রশ্নের জবাব জনগণের কাছেই রেখে গেলাম পাশাপাশি এখনো অপকৌশলীরা থেমে নাই যাতে নির্বাচন নামক সোনার হরিন জনগন না দেখতে পায়! আপনারা যদি সম্মতি দেন যে “একটি মানবিক ইউনিয়ন গঠন করবো ” ভরসা দেন তাহলে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে ভোটের মাধ্যমে জয়ী হয়ে আসতে চাই ।

আপনারা জানেন আজকের যুগে একজন জনপ্রতিনিধি হতে হলে একজন ডায়নামিক ব্যক্তির প্রয়োজন তাই আমাদের সমাজকে এগিয়ে নিতে পারবে এমন লোককেই আপনারা বাছাই করে নিন। তাই আপনারা নিজেরাই সিদ্বান্ত নিন আপনাদের অধিকার ফিরে পেতে কি করবেন ? তিনি আরো বলেন একজন জনপ্রতিনিধি কখনোই তার নিজের ভিতর সীমাবদ্ধ থাকা উচিৎ নয় আর আমিও আজকে আপামর জনসাধারণের জন্যে নিজেকে বিসর্জন দিতে সদা প্রস্তত। কারন আমরা ইতিহাস পর্যালোচনা করেই বলতি পারি সেইসব লোকের স্ববিস্তারে জনসার্থকেই প্রধান্য দিয়ে অকাতরে জীবন বাজি রেখেছেন তাই আমি জনগণের জন্যেই আকাবাকা মেঠো পথে হেটে চলেছি বছরকে বছর।

%d bloggers like this: