ঢাকা   ১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । শনিবার । সকাল ৬:৩২

কাজের প্রতি মন ও ভালবাসা থাকলে সরকারী অর্থ ছাড়াই উন্নয়ন করা যায়-বিসিসি মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, আমার সম্পর্কে শুরুতেই অনেকই অনেক কথা অনেক সমলোচনা করেছে আমি আপনাদের মেয়র হয়ে দেখিয়ে দিয়েছি সরকারী অর্থায়ন ছাড়া কাজের প্রতি ভালবাসা ও উন্নয়নের মন থাকলে করা যায় তাই আমি সিটি কর্পোরেশনের অর্থ দিয়ে বরিশাল শহরের দীর্ঘমেয়াদী টেকসই সড়ক নির্মাণ সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করেছি।

এখানে হয়ত আপনারা বলতে পারেন বরিশালে বড় বড় অট্রালিকা গড়ে তোলা হয়নি ঠিকই কিন্তু সাধারন মানুষের জীবন যাত্রা চলাচলের জন্য যা করনীয় আমি করেছি। একই সাথে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনকে একটি দূর্নীতি মুক্ত প্রতিষ্ঠান নগর বাসিকে উপহার দিয়েছি যা বিগত দিনে ছিল না।

এসময় তিনি আরো বলেন আমি এখানে সকলকে সম্পৃক্ততা করেই কাজ করার চেষ্টা করছি কোন দলীয় চিন্তা ভাবনা নিয়ে কোন ডিলার নিয়োগ করি নাই ও পরিবর্তন করি নাই যারা আগেও ছিলেন আজও তারাই অছেন।

এখানে তিনি আরো বলেন অমি যানি আপনাদের কার্ড পেতে একটু দেরি হয়েছে এতে আপনারা হয়ত আমার প্রতি অনেকেই অখুশি হয়ে থাকতে পারেন। কেন দেরি হয়েছে সেবিষয়ে আপনাদের শুনতে হবে। অমি প্রথমে এনজিওদের মাধ্যমে নগরীর কলোনী সহ সর্বস্থরের নাগরীকের হিসাবের তালিকা প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

পরবর্তীতে দেখলাম তাদের নাম ও হিসাবের তালিকা কাজে গড়মিল হলে আমি সহ আমার মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী এবং আমাদের উন্নয়নমূখি দল আওয়ামী লীগের কাধে গিয়ে পড়বে।

তাই সঠিকভাবে সকলেই যেন কার্ড পায় সেই যে দলেরই হোক নগরীর কোন ভোটার বাদ না পড়ে সেদিকে দৃষ্টি রেখে এই কার্ড তৈরী করতে সময় লেগে গেছে।

তিনি আরো বলেন, এখন থেকে নগরীর তৃনমূল থেকে সকল প্রর্যায়ের জনগণ উপকারেভোগীর আওতায় থাকবে। তাই সেখানে স্থানীয় প্রর্যায়ের কাউন্সিলররা দেখভাল করবে। বুধবার (২৯ই) জুন বিকালে নগরীর বান্দরোডস্থ বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়ত মঞ্চে আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে উপকারভোগীদের মাঝে বিসিসি কর্তৃক ফ্যামিলি কার্ড বিতরন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বের বক্তব্যতে তিনি উপরোক্ত কথা বলেছেন।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বিসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহমেদ, টিসিবি বরিশাল বিভাগীয় কর্মকর্তা আল-আমিন হাওলাদার, বিসিসি প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু।

এখানে মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন বিসিসি প্যানেল মেয়র ও বরিশাল আইনজীবী সমিতি সাধারন সম্পাদক এ্যাড,রফিকুল ইসলাম খোকন। বরিশাল ও টিসিবি বিভাগীয় আঞ্চলিক কর্মকর্তা আল-আমিন হাওলাদার জানান বরিশাল নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের ৯০ হাজার উপকারভোগীদের মাঝে ৫২ জন ডিলার খাদ্য সরবরাহ করবে।

অপরদিকে বরিশাল জেলার ১০ উপজেলায় ৫৩ ডিলার ১লক্ষ ২৯ হাজার,৯শত’২১ জন উপকারভোগীদের মধ্যে টিসিবির মাল বিতরন করার কাজ করবেন।

তিনি আরো বলেন এবার বিগত দিনের মত ভ্রাম্যমান ট্রাকে করে কোন মাল বিক্রয় ও বিতরন করা হবে না। টিসিবির ডিলারগণ প্রতিটি ওয়ার্ডে স্থায়ী ঘড় নিয়ে কার্ডধারী উপকারভোগীদের মাঝে মাল দিবেন।

এখানে কেহ অতিরিক্ত মাল দেওয়ার সুযোগ যেমন তেমনি যে মাল গ্রহন করেননি তার নামও তালিকায় ডিলাররা অন্তভূক্ত করার সুযোগ থাকছে না।

এদিকে বিসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাশ জানান, মেয়র মহাদয় নগরীতে ৬৫ হাজার কার্ড বিতরন করার উদ্ধোধন করবেন। প্রর্য়ায়ে ক্রমে অবশিষ্ট কার্ডগুলো পৌছে দেওয়া হবে।

উদ্ধোধনী দিনে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ নগরীর ৩০ ওয়ার্ডে পৃথকভাবে ১০ করে উপকার ভোগীদের হাথে ফ্যামিলি কার্ড নিজ হাতে তুলে দেন।

অন্যদিকে প্রতিটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গণ ১ হাজার ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দকে ১ হাজার করে কার্ড দেওয়া হয়ে তারা নিজ নিজ ভাবে উপকার ভোগীদের কাছে কার্ড পৌছে দিবেন বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠান সার্বিক পরিচালনা ও সঞ্চলনা করেন বিসিসি প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাশ।

%d bloggers like this: