ঢাকা   ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । বৃহস্পতিবার । রাত ১২:৩০

কমিশন বাণিজ্য নিয়ে এবার শেবাচিম কর্মচারীর ওপর হামলা

কমিশন বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে এবার শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হামলার শিকার হয়েছেন। কমিশন না পেয়ে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক কর্মীকে মারধরের জেরে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার দুপুরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শী এবং বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, ‘হাসপাতালের নতুন চাকরি হওয়া চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মনির ও তার অন্যান্য কয়েকজন সহকর্মী বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কমিশন নিয়ে থাকেন। যেসব ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে তাদের ১০ ভাগ কমিশন দেয় না সেসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধিদের হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেন না তারা। সূত্রগুলো আরও জানায়, ‘বিসিসি’র ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কেএম শহিদুল্লাহ’র মালিকানাধীন ইসলামিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কোন কমিশন পান না মনির ও তার সহকর্মীরা। এ কারণে সোমবার ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একজন মার্কেটিং কর্মী বহিঃবিভাগে চিকিৎসক ভিজিটে গেলে তার ওপর চড়াও হন মনির। এক পর্যায় ওই যুবককে বেদম মারধর করেন মনির। বিষয়টি জানাজানি হলে কে.এম শহিদুল্লাহ’র লোকজন দুপুরের দিকে শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির স্টাফ কোয়ার্টারের সামনে মনিরের কাছে মারধরের কারণ জানতে চান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মনির তার অনুসারীদের নিয়ে পুনরায় হামলার চেষ্টা করেন। তখন সাবেক কাউন্সিলরের লোকেরা মনিরকে বেধম মারধর করেন। এসময় স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। উল্লেখ্য ২০১৫ সালে তৃতীয় ওচতুর্থ শ্রেনী কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় এই মনির চাকরি প্রার্থীদের উচ্চ আদালতে রিট করে বেতন পাইয়ে দেয়ার কথা বলে এও জলিলের সাথে যোগ সাজসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল।

%d bloggers like this: