ঢাকা   ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ । ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ । সোমবার । রাত ৩:২৬

আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করছেন সুদি ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্কঃ বাংলাদেশের এনজিও, মাল্টিপারপাস, সমবায় সমিতি ও সুদি ব্যবসায়ীরা, মূল্যবান সময় নষ্ট করছেন আদালতের। এদের কারণে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ জনগণ। বর্তমানে বাংলাদেশের নিম্ন আদালতগুলোতে সবচেয়ে বেশি চলছে, এন আই এক্ট এর ১৩৮ ধারার মামলা। সাধারণ জনগণের এন আই এক্ট এর ১৩৮ ধারার মামলা সম্বন্ধে কোন ধারনাই নেই। এন আই এক্ট এর ১৩৮ ধারার আইনটি ব্যবহার করে, সুদি ব্যবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছেন, কোটি কোটি টাকা। নীরব ভূমিকায় ঊর্ধ্বতনীয় কর্মকর্তারা। বাংলাদেশের এনজিও, মাল্টিপারপাস,সমবায় সমিতি ও সুদি ব্যবসায়ীরা, সাধারণ জনগণের কাছ থেকে অবৈধভাবে ব্লাংক চেক জামানত রেখে, চড়া সুদে ঋণ দিচ্ছেন, পরবর্তীতে গ্রাহক কোন সমস্যায় পড়লে, ঠিকমত সুদ না দিতে পারলে, সুদি ব্যবসায়ীরা গোপনে, ব্লাংক চেকে মোটা অংকের টাকা লিখে, ব্যাংক থেকে চেক ডিজঅনার করিয়ে, কোন লিগ্যাল নোটিশ না পাঠিয়ে, আদালতে এন আই এক্ট এর ১৩৮ ধারায় চেকের মামলা দিয়ে দেন। সাধারণ জনগণ মনে করে, এন আই এক্ট এর ১৩৮ ধারার মামলাগুলো, আদালত যদি প্রথমে আমলে না নিয়ে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে তদন্ত করার পরে আমলে নেয়। তাহলে নিরীহ মানুষ মুক্তি পাবে এই সব মিথ্যা মামলা থেকে। এই ব্যাপারে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি বাংলাদেশ ক্রাইম নিউজ কে বলেন, ব্ল্যাংক চেক নেওয়া অবৈধ ও অন্যায়। যদি কোন প্রতিষ্ঠান ব্লাংক চেক নিয়ে, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে, তাহলে তারা অন্যায় ও বেআইনী কাজ করছে। চলমানঃ

%d bloggers like this: