Logo
নোটিশ :
স্বাগতম একুশের আলো .....

ঘূর্নিঝড় আম্ফানের কবলে চূর্নবিচূর্ন টুঙ্গিবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়!

ঘূর্নিঝড় আম্ফানের কবলে চূর্নবিচূর্ন টুঙ্গিবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়!

মোঃ রিফাত মুন্সী, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ প্টুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ঘূর্নিঝড় আম্ফানের কবলে বেশ ক্ষয়ক্ষতির মাঝে অন্যতম একটি হলো বড়বাইশদিয়ার টুংগীবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ২০ মে আম্ফানের ঝড়ের তান্ডবে এ বিদ্যালয় বেশ কয়েকটি শ্রেনির টিনের ছাউনি বেঞ্চ টেবিলসহ প্রায় ৩লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়। সরেজমিনে জানা যায় বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের পাশে কয়েকটি শেনিকক্ষের টিনের ছাউনি বেড়া বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে যায় । এখন তা অকেজো প্রায় । বিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থান ভাঙ্গা টিনের ছাউনি। জোড়াতালি দেওয়া টেবিল, বেঞ্চ। মাথার ওপর টিনের ছাউনি থাকলেও বন্ধ হয়নি বৃষ্টির পানি পরা। একটু বৃষ্টি হলেই শ্রেনি কক্ষের মেঝে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায়। শৌচাগার দুটির মধ্যে একটি ব্যবহার অনুপযোগী। এ অবস্থার মধ্যেই চলছে পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের টুঙ্গিবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯২ সালে ২ একর ৭৭ শতঅংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় এ বিদ্যালয়টি। এখানে বর্তমানে মোট শিক্ষার্থী আছে ৩৬৮ জন ।২৮ বছরেও পাইনি ভবন।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দুটি অংশে বিভক্ত।

No description available.

তিন কক্ষবিশিষ্ট টিনশেডের দুটি ঘর। একটি ঘর ভাঙ্গাচোরা। সেখানকার একটি ও মোটামুটি ভালো ঘরে দুটি কক্ষে চলছে পাঠদান। দরজা-জানালা ভাঙ্গাচোরা। এখন আবার আম্ফান ঘূর্নিঝড়ে বাদবাকিটুকো নিয়ে গেছে জানি না কোন দিন ভবন আসবে কি না ! আমাদের ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার এক মাত্র ভরসা এই হাইস্কুল । সরকারের কাছে আমাদের আবেদন এই স্কুলটিকে একটি ভবন দেন তাহলে আমাদের সন্তানরা ভালো ভাবে পড়াশোনা করে দেশের শুনাম ধরে রাখতে পারে।সহকারী শিক্ষক মনিরুজ্জমান জানান, বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষা আমাদের এই চরাঞ্চালে প্রতিবছরই আম্ফানের মতো শক্তিশালী ঘূর্নিঝড় হানা দেয় । যার ফলে আমাদের মেরামত করতে হয় বা অনেক সময় বাহিরে ও ক্লাস করতে হয় এইতো সিডর ,আয়লা মহসিনসহ পায়ই বন্যায় আমাদের স্কুলটি ভেঙ্গে যায় । আমাদের যদি একটা একাডেমিক ভবন দেয়া হয় এ সমস্যা রোধ করে শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন ফিরিয়ে আনতে পারবো।প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, বন্যার কবলে বিদ্যালয়ের কয়েকটি শ্রেনি কক্ষের টিনের ছাউনি বেড়া উড়িয়ে নিয়ে যায় তাছাড়া বেঞ্চ টেবিলও ভেঙ্গে যায় । এই বন্যা প্রবন এলাকায় টিনের বিদ্যালয় কয় দিন আর থাকে বার বার সংস্কার কারা ছাড়া আর কি আছে সরকার শিক্ষা কর্মকর্তাসহ উর্ধতন কর্মকর্তা যারা আছেন দয়াকরে আমাদের দিকে একটু তাকান। তিনি আরো বলেন বিদ্যালয়টিতে দূর-দূরান্তের আটটি গ্রামের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। ২০০৭ সালে সিডরে ভেঙ্গে যাওয়ার পর সর্বশেষ বিদ্যালয়টিতে সংস্কার কাজ হয়। তারপর আর হয় না।তা ছাড়া পাশেই একটি খাল থাকায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।আমাদের বিদ্যালয়ে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পাসেরহার শতভাগ। ভবন না থাকায় ঠিকমত পাঠদান করা যায় না ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাহিদ হাসান পিয়েল এর সাথে যোগাযোগ করায় তিনি বলেন বিষয়টি সরেজমিনে আমি সকালে গিয়ে দেখেছি। বিদ্যালয়ে ক্লাস রুম গুলো টিনের ও অবকাঠামো দুর্বল হওয়ায় ০২টি ক্লাসরুমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *