Logo
নোটিশ :
স্বাগতম একুশের আলো .....
থানা বেষ্টনীর মধ্যেই তরুনীকে ধর্ষণ করল পুলিশ, কনস্টেবলসহ কারাগারে ৪

থানা বেষ্টনীর মধ্যেই তরুনীকে ধর্ষণ করল পুলিশ, কনস্টেবলসহ কারাগারে ৪

অনলাইন ডেস্কঃ নোয়াখালীতে ট্রাফিক পুলিশের বাবুর্চির কক্ষে এক নারীকে (২৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবলসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগী তরুণীর মা বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় ধর্ষণ করেছে।

গ্রেফতাররা হলেন- ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মাদলা গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে ও নোয়াখালী জেলার সদর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মকবুল হোসেন (৩২), বেগমগঞ্জ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের মৃত আমান উল্যার ছেলে সিএনজি চালক মো. কামরুল (২৫), একই উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে নুর হোসেন কালু (৩০) এবং সদর উপজেলার দাদপুর গ্রামের মৃত মফিজ উল্যার ছেলে আবদুল মান্নান (৪৯)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মিজানুর রহমান পাঠান জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভিকটিম ঢাকা থেকে ব্যক্তিগত কাজে নোয়াখালীর মাইজদিতে আসেন।

অর্থের সংকট দেখা দিলে ভিকটিম তার পূর্ব পরিচিত সিএনজিচালক মো. কামরুলের সঙ্গে দেখা করেন। এক পর্যায়ে কামরুল দুই সহযোগী আবদুল মান্নান ও নুর হোসেন কালুকে নিয়ে ভিকটিমকে সদর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল (মুন্সি) মকবুল হোসেনের কাছে নিয়ে যান।

এ সময় তাদের সহযোগিতায় মুন্সি মকবুল হোসেন ভিকটিমকে ট্রাফিক পুলিশের বাবুর্চি আবুল কালামের রুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পরপরই ভিকটিম সুধারাম মডেল থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহেদ উদ্দিন বলেন, অভিযোগের সঙ্গে সঙ্গে চার আসামিকে বৃহস্পতিবার রাতেই আটক করা হয়। অন্যদিকে নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *