Logo
নোটিশ :
স্বাগতম একুশের আলো .....
বরিশালে দুঃস্বপ্নে পরিনত এক প্রধান শিক্ষকের স্বপ্ন !

বরিশালে দুঃস্বপ্নে পরিনত এক প্রধান শিক্ষকের স্বপ্ন !

অনলাইন ডেস্কঃ বরিশালের শিক্ষা অঙ্গনে আছমত আলী খান (এ.কে) ইনিস্টিটিউশন একটি জনপ্রিয় ও স্বনামধন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নামে বেশ পরিচিত। প্রতিষ্ঠানটি ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়ে শিক্ষার ইতিবাচক বিস্তারসহ রাজনৈতিক উর্বর ভূমি হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিল। দক্ষিনাঞ্চলের একাধিক রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে সুনামের সাথে পরিচয় বহন করছে প্রতিষ্ঠানটি ।

তবে ১৯৯০ এর দশকে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম-সুখ্যাতি তলানিতে পৌছেছিল। সেই তলানীতে থাকা প্রতিষ্ঠানে পূনরায় তার পূর্বের অর্থাৎ পূর্বের থেকেও উন্নতমানের শিক্ষাব্যবস্থায় সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলেন ৬/৯/২০০৯ সাথে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত এইচ.এম জসীমউদ্দীন (এম.এ, এম.এড, প্রথম শ্রেনি) । প্রতিষ্ঠানটির বিষয়ে তিনি জানান, আমি যখন প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি, তখন বিদ্যালয়ের আন্তঃ পরিবেশ ও ফলাফলছিল ন্যাক্কারজনক। কেননা এখানে ছিল মাদকের বিস্তার। এছাড়া ছাত্রসংখ্যাও ছিল ২৫০ থেকে ৩০০ জন। ২০০১ সনে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ গ্রেডিং পদ্ধতিতে চালু হলেও ২০০৯ সন পর্যন্ত কোন ছাত্রই পায়নি জিপিএ-৫ ।

পাশের হার ছিল ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ মাত্র। পরবর্তীতে আমি সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ও গুনী ব্যাক্তিদের জীবনাদর্শ অবলম্বন করে প্রতিষ্ঠানকে একটি নান্দনিক রূপে রুপান্তরিতে সক্ষম হই। এর ফলে জিপিএ-৫ , ছাত্র সংখ্যা ও পাশের হার অনেক গুন বৃদ্ধি পায়। বিদ্যালয়টি পরিনত হয় একটি নান্দনিক গ্রীন ক্যাম্পাসে ।

এছাড়া আধুনিক মার্কেট নির্মান, গেট নির্মান, আধুনিক হলরুম নির্মান, আধুনিক শহীদ মিনার নির্মান, আধুনিক ফ্লাগ ষ্টান্ড নির্মান, ওয়াকওয়ে নির্মান, ফুল বাগান, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা, অনলাইনভিত্তিক ফলাফল প্রকাশ, শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, ওয়াশব্লক সহ টয়লেট নির্মান, সততা ষ্টোর স্থাপন, আধুনিক বিজ্ঞানাগার নির্মান, বিতর্কক্লাব স্থাপন, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব স্থাপন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার স্থাপন, শিক্ষা সফরের ব্যবস্থা, ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা, আন্তঃ ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ ড্রেসের সঙ্গে টাই ও আইডিকার্ড প্রদান, দৈনন্দিন হোম ওয়ার্কের জন্য ডায়েরি কাম ম্যাগাজিন প্রদান, আধুনিক পাঠাগার স্থাপন, সর্বত্র বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থা, সম্পূর্ন বিদ্যালয়কে সাউন্ড সিস্টেমের আওতায় আনা, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কারের প্রবর্তনসহ নানাবিধ কাজ আমি সফলতার সাথে সম্পন্ন করি। যার ফসল আজকের আছমত আলী খান (এ.কে) ইনিস্টিটিউশন । জানা যায় , ব্যাক্তিগতভাবে জসিম একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন এবং ১৯৮৭ সনে বরিশালের উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জুনিয়র বৃত্তি লাভ করেন।

বরিশালের রুপাতলীতে স্থাপিত এ.ওয়াহেদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ১৯৯৬ সনে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি ইংরেজী বিষয়ে স্নাতোকোত্তরসহ বি.এড ও এম.এড ডিগ্রি অর্জন করেন। তাছাড়া তিনি কর্ম জীবনে এস.এস.সি ও জে.এস.সি পরীক্ষার পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্ব সুনামের সাথে পালন করেন।

এস.এস.সি, জে.এস.সি ও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন প্রশিক্ষন গ্রহন করে নিজেকে একজন দক্ষ প্রধান শিক্ষক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। জসিম আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ২বার শের-ই বাংলা পদক, স্বাধীনতা পদক, জয় বাংলা পদক ও নেলসন ম্যান্ডেলা পদকে ভূষিত হন। তাছাড়া বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্র দর্শন বিষয়ক শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত বক্তৃতায় বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথমস্থান অধিকার করেন।

২০১০ সালে প্রশাসনিক প্রশিক্ষনে (এইচ.এস.টি.আই, বরিশাল) ৩০০ জন প্রধান শিক্ষকের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন। সর্বশেষে ২০১৮ সনে প্রধান শিক্ষদের কারিকুলাম প্রশিক্ষনেও সুনামের সঙ্গে মাষ্টার ট্রেইনারের দায়িত্ব পালন করে। এছাড়া তিনি ব্যাক্তিগত ভাবে তিনি ১০ থেকে ১৫ টি সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে থেকে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি ১ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জনক। স্ত্রী মোসাঃ শারমিন সুলতানা স্নাতক ডিগ্রি সহ গ্রস্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান কোর্সে প্রথম শ্রেনি পেয়েও চাকরী করেননি। কারন তাদের পরিবারে সপ্ন ছিল ছেলে মেয়েদের দুইটি নামি দামি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করাবেন। তিনি আরও জানান, ২ বার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে চাকরী পেয়েও যোগদান করেননি। তিনি মহান আল্লাহর নিকট কোটি কোটি শুকরিয়া আদায় করেন যে আল্লাহ তাদের সেই স্বপ্ন পুরন করেছেন। কেননা বড় মেয়ে ফাহমিদা জেবিন প্রমি বরিশালের সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে (বিজ্ঞান বিভাগ) ২০২১ সনে এস.এস.সি পরীক্ষা শেষ করেছেন।

উল্লেখ্য, সে ৫ম ও ৮ম শ্রেনিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি প্রাপ্ত। তাছাড়া ছোট ছেলে মোঃ জারিফ হোসেন লাবিব বরিশাল জিলা স্কুলে পঞ্চম শ্রেনিতে অধ্যায়নরত। উল্লেখ্য সেও ৩য় শ্রেনি থেকে প্রথম হয়ে ৪র্থ শ্রেনিতে উত্তীর্ন হয়েছিল। ভবিষ্যতে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির ইচ্ছা রয়েছে। তবে হতাশা প্রকাশ করছেন জসিম ।

তিনি অভিযোগে জানান, ২০২০ সালে করোনাকালীন সময়ে আছমত আলী খান (এ.কে) ইনিস্টিটিউশনের এডহক কমিটির নেতিবাচক হস্তক্ষেপে আমাদের সাজানো সংসার ও ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার ভবিষ্যৎ দুঃসপ্নে পরিনত হতে যাচ্ছে। কারন এডহক কমিটি নিয়মবহির্ভুত আমাকে সাময়িক বহিস্কার করেছে। বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চাকরিবিধি ১৯৭৯ এর ১২ ও ১৩ নং ধারা, ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালা ২০০৯ এর ৪১ নং ধারা, সর্বশেষ ২৮/০৯/২০২১ এর বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের জনবল কাঠামো এর ১৯ নং ধারা সম্পূর্ন উপেক্ষা করে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই গত ১৭/১২/২০২০ তারিখে আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করে । বিধি মোতাবেক অডিট কমিটিও গঠিত হয়নি এবং অভ্যন্তরিন অডিট রিপোর্ট নিয়ে কমিটির সভায় প্রতিরোধ মূলক আলোচনার বিধান থাকলেও তা করা হয়নি।

আমাকে কর্ম বিরতীতে রেখে একটি একপেশে অডিট রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। শোকজ নোটিশের সঙ্গে অডিট রিপোর্ট ও আপত্তির বিস্তারিত কোন রেফারেন্সও সরবরাহ করা হয়নি। তাছাড়া নোটিশের জবাবের জন্য ৭ কর্মদিবস সময় দেয়ার বিধান থাকলেও মাত্র ৩ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রশ্ন পত্র ছাড়া শুধু মাত্র সাদা কাগজ দিয়ে পরীক্ষা দিতে বলার সামিল।

জোড় জবরদস্তিভাবে আমাকে সরিয়ে প্রধান শিক্ষকের অফিস দখল করে নেয়া হয়েছে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বশির আহমেদ আয়ন ব্যয়ন অফিসার হিসেবে হিসাব রক্ষন পদ্ধতির ৩৮ নং ধারা সম্পূর্নভাবে উপেক্ষা করে আমার নিকট থেকে কোন রকম দায়িত্ব না নিয়েই অবৈধ ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন । এ পর্যন্ত প্রায় সরকারী বেসরকারীভাবে প্রায় ১ কোটি টাকা অবৈধভাবে খরচ করেছেন। এ বিষয়ে আমি তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সভাপতির ক্ষমতা দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।

সাবেক সভাপতি হাসান মাহমুদ বাবু আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি রেজুলেশন বহি (০১/০১/২০১৩ থেকে ৩০/০৯/২০২০ পর্যন্ত) নিয়ে গেছেন। যার কোন খোজ এখন আর আমার কাছে নেই। আমাকে সাময়িক বরখাস্তের চিঠিতে ১৫/১২/২০২০ তারিখে সভার সিদ্ধান্তের কথা বলা হলেও শিক্ষাবোর্ডে জমা দেয়া হয়েছে ০৪/১২/২০২০ তারিখের রেজুলেশন। তাছাড়া এডহক কমিটির সভাপতি না লিখে শুধুমাত্র সভাপতি লিখে প্রতারনারও চেষ্টা করেছেন।

এখানে আর একটি বিষয় যে, ১৭/১২/২০২০ তারিখ থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষব বশির আহমেদকে দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিলেও তার পূর্বের রেজুলেশনেও তিনি কিভাবে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরের জায়গার স্বাক্ষর করেন তা আমার বোধগম্য নয়। সরকারী বিধি মোতাবেক সাময়িক বরখাস্তের পর কর্মে যোগদানের জন্য সভাপতি বরাবর গত ১৪/০৩/২০২১ তারিখ আবেদন করি এবং সর্বশেষ গত ০৯/০৯/২০২১ তারিখে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের বলে আমি গত ২৫/০৯/২০২১ তারিখ কর্মে যোগদানের আবেদন করলেও তারা এ বিষয়ে আইনের তোয়াক্কাও করছেন না।

আমি মনে করি এটা আদালত অবমাননার সামিল। গত ১৬/১০/২০২১ তারিখ বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত প্রশাসনিক ভবনের দোতলায় আমার বাস ভবনে আনুমানিক দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটে সাবেক সভাপতি হাসান মাহমুদ বাবুর নির্দেশে দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বশির আহমেদের নেতৃত্বে ১০/১২ জন সন্ত্রাসী নিয়ে উপস্থিত হয়ে বাসার সামনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ ব্যাপারে আমি তাকে নিষেধ করলে তারা আমার বাসার গ্রিল কেটে বাসায় ঢুকে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। এছাড়া তারা আমাকে লাঞ্চিত করতে গেলে আমার স্ত্রী আমাকে বাচাতে যান তখন তারা তাকে ধাক্কা মেরে মেঝেতে ফেলে দেন এবং শ্লীলতাহানী করেন।

তখন আমার ছেলে মেয়ে আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েন। আমার মেয়ে ফাহমিদা জেবিন প্রমি পুলিশ সেবার জন্য ৯৯৯ নম্বরে কল করলে কোতয়ালী মডেল থানা থেকে এ.এস.আই মিজান সহ ৭/৮ জন পুলিশ সদস্যের উপস্থিতির টের পেয়ে আমাকে খুন জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনা স্থল ত্যাগ করেন। ফলে আমি আমার পরিবারবর্গ নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ ব্যাপারে ঐদিন সন্ধ্যায় কোতয়ালী মডেল থানা অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে দেখা করি এবং প্রতিকারের ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানালেও তিনি যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়ে গড়িমসি করেন। পরবর্তীতে আমার স্ত্রী গত ১৮/১০/২০২১ তারিখ থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করলেও তারও কোন প্রতিকার পাচ্ছিনা। বর্তমান এডহক কমিটির নুপুর নাহার যিনি সাবেক সভাপতি হাসান মাহমুদ বাবুর স্ত্রী। তাই বর্তমানে হাসান মাহমুদ বাবুই বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন যা অবৈধ বটে ।

এছাড়া বিদ্যালয়ে টিচার্স কাউন্সিল সভায় সাবেক সভাপতি হাসান মাহমুদ বাবু আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি “আমার দিনের রূপ দেখেছেন কিন্তু রাতের রূপ দেখেননি” এই বলে প্রান নাশেরও হুমকি দেন। গত ১৯/০৮/২০২১ তারিখ বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসায় হামলা করে তার স্বীয় চরিত্রের অকাট্য প্রমান রেখেছেন। জসিম আরও অভিযোগে জানান, কিছু বখাটে ছেলেরা তার ও তার পরিবার বর্গের সদস্যদের গতিবিধি ফলো করছেন।

ফলে যে কোন মুহুর্তে জখম-অপহরনের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। সর্বশেষ তিনি এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখার জন্য বর্তমান শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজ ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন। তা নাহলে তার ব্যাক্তিগত পরিবার ও বিদ্যালয়কে চরম মূল্য দিতে হতে পারে বলে শঙ্কায় দিনযাপন করছেন ভুক্তভুগী প্রধান শিক্ষক এইচ.এম জসীমউদ্দীন। এ বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের বর্তমান দায়িত্বরতদের মুঠোফোনে চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *