Logo
নোটিশ :
স্বাগতম একুশের আলো .....
বরিশাল’র রাজনীতির আইকন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র শুভ জন্মদিন আজ

বরিশাল’র রাজনীতির আইকন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র শুভ জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। আত্বত্যাগ, ভালবাসার একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের প্রতিভাবাপন্ন দক্ষ এক ব্যক্তিত্ব। রাজনীতির ময়দানে একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত ব্যক্তিটি আজ সফল।

সাদিক আব্দুল্লাহ শুধু একটি নাম নয়, একটি চেতনা, একটি প্রেরণা। এক খন্ড জীবন্ত সোনালী ইতিহাস। একজন সময়ের সেরা অনুস্মরণীয় অনুকরণীয় আদর্শ ব্যক্তিত্বও বটে।দক্ষিনাঞ্চলের রাজনীতির এক উজ্জল ধ্রুবতারা। আলোয় আলোকিত ব্যক্তি, সমাজ, জাতি এবং কর্মি গড়ার কারিগর। পূর্ব পুরুষের সুযোগ্য উত্তরসুরী।

মজলুম, অসহায়, গরীব, দু:খি, মেহনতি মানুষের দিশারী। মানব সেবায় নিবেদিত প্রাণ একজন সত্যিকার সমাজ সেবক। অত্যন্ত পরিশ্রমি, কর্মঠ, ধর্য্যশীল, ভদ্র, নম্র, বনয়ী, মিশুক, হিংসা বিদ্বেষ এবং অহংকার মুক্ত সাদা মনের স্বচ্চ একজন সুহৃদ ব্যক্তি। এ ছাড়া আরো বহু গুণে গুনান্বিত,এবং আদর্শ রাজনীতির এক পথিকৃত ব্যক্তি। আদর্শ নগর বিনির্মাণে অঙ্গীকার বদ্ধ এক প্রত্যয়ী মানব। রাজপথের লড়াকু সৈনিক।

আপোষহীন একজন নেতা। তিনি হচ্ছেন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। যিনি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

দলীয় নেতা কর্মী থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি পেশার মানুষের হৃদয় স্থান করে নিয়েছেন তিনি। আজ এই আইকনের জন্মদিন তার এ জন্মদিনে উচ্ছ্বসিত পুরো বরিশাল। জন্মদিনে নানান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে মহানগর আ’লীগ যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ দলের অন্যান্য সহযোগী সংগঠন নানান কর্মসুচী গ্রহণ করেছে। তরুন এই আইকনের কর্মযজ্ঞে প্রতিটি মহলেই প্রশংসার ফুলজুড়ি।

তার দুরদর্শিতার কারনে বরিশাল আওয়ামীলীগ আজ চাঙ্গা এমনটাই মতামত দিয়েছেন মহানগর আওয়ামীলীগের একাধিক নেতারা। জানা যায়, দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে আজ অবধি তাকে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চলতে হচ্ছে। তার পরও তিনি সাংগঠনিক ভাবে দলকে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।

পিছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়,প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলাসহ মহামারী করোনা প্রতিরোধে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহনের পাশাপাশি করোনাকালীন সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের অধিবাসীদের খাদ্য সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি নজির স্থাপন করেছেন। মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই সাদিক আবদুল্লাহ নগর ভবনকে সত্যিকার অর্থে দূর্নীতিমুক্ত একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে রুপদানের কাজে হাত দেন।

কর্মস্থলে জবাবদিহীতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা ডিজিটালাইজেশন করার পাশাপাশি বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত উপস্থিতি যেমন বেড়েছে তেমনি গ্রাহক হয়রানি বন্ধ, আর্থিক লেনদেন ও অনিয়ম বন্ধ এবং কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা বন্ধ হয়েছে।

তিনি দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি ও তাদের উৎসব ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে অবসরে যাওয়া ৪০-এর অধিক নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একসাথে সকল অর্থ পরিশোধ করা তার নেয়া একটি যুগান্তরী পদক্ষেপ হিসেবে সকলের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।

পূর্বে বেতন-ভাতা না পেয়ে মাসের পর মাস মানবেতর জীবনযাপন করা বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এখন আর বেতন-ভাতার জন্য আন্দোলন করতে হয়না।মাস শেষে নিয়মিত-অনিয়মিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন তাদের নিজ নিজ একাউন্টে চলে যায়। কোন কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে যাতে করে বেতন প্রদান বন্ধ না থাকে সেজন্য তিনি বর্তমান পরিষদের এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ সরকারের নেয়া নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।এক্ষেত্রে বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা ভোগীরা যাতে কোন হয়রানি ছাড়াই তাদের ভাতা উত্তোলন করতে পারেন সেজন্য পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।মেয়র ইমাম-মুয়াজ্জিমদের জন্য ইমাম ভবন নির্মানের কাজ শুরুর পাশাপাশি বরিশাল নগরীর সকল ইমাম-মুয়াজ্জিমদের মাসিক ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করেছেন।

তিনি দায়িত্ব গ্রহনের পর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দূর্গাপুজার সময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে দেয়া আর্থিক সহায়তার পরিমান বাড়িয়ে দিয়েছেন।ঈদের সময় নৌপথে দক্ষিণাঞ্চলে ফেরা মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নেয়া পদক্ষেপ সারাদেশে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে সরকারি বরাদ্দ পাওয়ার দিকে তাকিয়ে না থেকে তিনি নগরীর সড়ক উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।

নগরীর গুরুত্বপূর্ন সড়কের সংস্কারের পাশাপাশি শাখা সড়ক এবং বর্ধিত এলাকার অনেক কাচা রাস্তা পাকা করা হয়েছে। নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রথমবারের মতো পানি সংযোগের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। মৃতপ্রায় নগরীর খালগুলো উদ্ধার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে গৃহীত কাজ বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে।

মশক নিধনে নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে প্রায়শই। জলাবদ্ধতা দূরীকরণে নিয়মিত ড্রেন পরিস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকেই নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এখন তার নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে বিসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

গৃহস্থালীর বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি পুরো শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে দক্ষ কর্মীরা রাতদিন ছুটে চলছেন নগরীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে।বিগত বছরের ন্যায় এবছরও পবিত্র ঈদুল আযহার সময়ে জবাই হওয়া পশুর বর্জ্য মেয়রের নির্দেশনায় স্বল্প সময়ের মধ্যে অপসারিত হয়েছে।মানবিক মেয়র হিসেবে খ্যাতি লাভ করা সাদিক আবদুল্লাহ দায়িত্ব নেয়ার পর রোগাক্রান্ত এবং অসহায় ও দুস্থদের সাহায্যকৃত অর্থের পরিমান বাড়িয়ে দিয়েছেন।

এ পর্যন্ত তিনি এক কোটিরও অধিক টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া মেয়র ব্যক্তিগতভাবে প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষদের মেয়ের বিয়ে, সন্তানের পড়ালেখা, চিকিৎসা, ঘর নির্মান, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন।বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সম্মুখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বিশাল আকৃতির দৃষ্টি নন্দন মুড়াল স্থাপন করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বরিশাল নগরীর টর্চার সেল সংরক্ষন ও সংস্কারের মাধ্যমে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। মুজিব শতবর্ষে দেশের সর্ববৃহৎ মানব লেগো উপস্থাপন করা হয়েছে নগরী বঙ্গবন্ধু উদ্যানে।

নানান ইতিবাচক কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসাধারন- শিক্ষার্থীদের মহামারী করোনা প্রতিরোধেও নিয়েছেন নানাবিধ সক্রিয় পদক্ষেপ। সম্প্রতি বরিশাল জেলার প্রায় ৪৬ হাজার শিক্ষার্থীদের করোনা টিকার প্রদানের ব্যবস্থা করেছেন। এতে করে শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও সচেতন মহলে বেশ প্রশংসনীয় গ্রহনযোগ্যতার আধিকারিত্ব লাভ করেছেন।

মানুষের অন্তরে স্বল্প সময়েই স্থান থেকে নেয়ার নামটিই এখন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে বাবা ও মায়ের সঙ্গে অলৌকিক ভাবে বেঁচে যাওয়া স্বজনের রক্তে ভেজা সেই সময়ের দেড় বছরের শিশু এখন খ্যাতি লাভ করেছেন আজকের বরিশালের রাজনীতির ‘আইকন’ হিসেবে। পেয়েছেন যুবরত্ন খেতাবও।

স্বল্প সময়ের মধ্যে নিজের মেধা, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে পাদ প্রদীপের আলোয় আসা এক উদীয়মান সূর্য। যার আলোয় আলোকিত বরিশালের আওয়ামী রাজনীতির অঙ্গন। তিনি বরিশাল সিটি নির্বাচনের সর্বাপেক্ষা আলোচিত ও জনপ্রিয় মেয়র।

বাবা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে মন্ত্রী পদ মর্যাদার পার্বত্য শান্তি চূক্তি বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কমিটি ও বরিশাল জেলা আ’লীগের সভাপতি সিংহ পুরুষ খ্যাত জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র পদাঙ্ক অনুসরণ করে মুজিব অন্তঃ প্রাণ সাদিক আব্দুল্লাহ নিজেকে শুধু যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবেই নয় দলীয় নেতা-কর্মীদের আশা ও ভরসার প্রতীক হিসেবেও নিজেকে গড়ে তুলতে পেরেছেন।

শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে দাদা তৎকালীণ কৃষিমন্ত্রী ও কৃষক কুলের নয়নের মনি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও চার বছরের ভাই সুকান্ত আব্দুলাহ বাবুসহ পরিবারের অনেক স্বজনকে হারান সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। সেদিন রাতে মৃত্যুর দুয়ার থেকে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের অপার কৃপায় অলৌকিকভাবে বাবা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, বুলেটবিদ্ধ মা শাহানারা আব্দুল্লাহ ও তার কোলে থাকা দেড় বছরের শিশু পুত্র সাদিক আব্দুল্লাহ প্রাণে বেঁচে যান।

শরীরে বেশ কয়েকটি বুলেট বহন করে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে মা শাহানারা আব্দুল্লাহ ও বাবা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর মতো সাদিক আব্দুল্লাহও আ’লীগের সুখ-দুঃখের অংশীদার। ৭৫’র পর সেনাশাসক জিয়াউর রহমান, স্বৈরশাসক এরশাদ ও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে (৯১-৯৬ ও ২০০১-২০০৬) মিথ্যা মামলাসহ নানা ভাবে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ও তার পরিবারকে হয়রানির শিকার হতে হয়। ১/১১’র সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলেও ষড়যন্ত্রের শিকার হন তারা।

তবে সকল চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের মাঝেও এ পরিবারটি বরিশালে আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের একমাত্র ভরসাস্থল ও শেষ ঠিকানা হিসেবে যায়গা করে নিয়েছেন। তার উদার মানবিকতায় ইতিবাচক নানাবিধ কর্মকান্ডে বরিশালের মানুষ তার প্রতি কৃতজ্ঞ। প্রাণ খুলে তার জন্য দোয়া ও ভালবাসার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে পুরো বরিশালবাসী।

যোগ্য নেতার নেতৃত্বেই গড়ে উঠুক আগামীর বরিশাল। এটাই প্রত্যাশা বরিশালের মানুষের। জন্মদিনে রাজনীতির এ আইকন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সকলের দোয়া কামনা করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *